ছবির ক্যাপশন:
ঝিনাইদহ অফিস: ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাসের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগের প্রতিবাদে গতকাল শুক্রবার বিকালে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে জেলা পরিষদের কাউন্সিলররা এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জাহাঙ্গীর হোসেন সোহেল। তিনি লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গত বৃহস্পতিবার সকালে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে সদর উপজেলার পোড়াহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম হিরন সংবাদ সম্মেলন করে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাসকে নিয়ে বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর অভিযোগ তলে ধরেন। তিনি মুকুল নামে একজন নিরুদ্দেশ হওয়ার পিছনে রাজনৈতিক স্বার্থ হাছিল করার যে অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তা মুলত বানোয়াট বলে সংবাদ স¤েœলনে অভিযোগ করা হয়। তিনি সংবাদ সম্মেলনে আরও জানান, মুনির হোসেন মুকুল নিরুদ্দেশ হওয়ার আগে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাসের বাসায় এমনকি তার সাথে কোন যোগাযোগ হয়নি। সেটা মোবাইলের কল লিষ্ট বা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলে পরিষ্কার হয়ে যাবে। কিন্তু পোড়াহাটি ইউপির চেয়ারম্যান রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাসকে জড়িয়ে সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা অভিযোগ তোলেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, সদর উপজেলার মাওলানাবাদ হাইস্কুলে স্থানীয় আওয়ামীলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা ও ১৪৪ ধারা জারির যে ঘটনার সাথে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস ও সদর থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক জে,এম রশিদুল আলমকে নিয়েও বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে। এ সব দলের একটি গ্রুপ ও পোড়াহাটি ইউপির চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম হিরণের মদদে এসব নোংরা খেলা করা হচ্ছে বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে জেলা পরিষদের সদস্য আশরাফুল হক, আসাদুল ইসলাম, আশরাফুননাহার, শামীম আরা হ্যাপি, অলিম্পিক হোসেন, পাপিয়া সমাদ্দার, অনিতা বিশ্বাস, আমজাদ মোল্লা, মনোয়ার হোসেন, হাশেম আলী, রেজাউল করিম, সুচিত্রা রানী, জাহাঙ্গীর হোসেন, খবির উদ্দিন ও মোরাদিম মোস্তাকিম মনির, মোদাচ্ছের হোসেন ও ইমাজুল হকসহ দলের আওয়ামীলীগের অঙ্গ-সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
