ছবির ক্যাপশন:
জীবননগর অফিস: জীবননগরে আহলে হাদিসের মসজিদ ভেঙ্গে দেওয়াকে কেন্দ্র করে আহলে হাদিসের অনুসারীদের সাথে মুসুল্লিদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়া নিয়ে সংঘর্ষ হয়। এতে আহলে হাদিসের অনুসারী জীবননগর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আনোয়ার হোসেনের হাতে এক প্রতিবেশী গুরুতর আহত হয়ে জীবননগর হাসপাতালে ভর্তি হয়। এলাকাবাসীর দাবী লক্ষীপুর গ্রামে হঠাৎ রাতের আধারে গড়ে উঠা একটি মসজিদে নামি দামী গাড়ি নিয়ে আগত মুসুল্লিদের প্রচলিত নিয়মের বাইরে বিতর্কিত ও ভিন্নভাবে নামাজ আদায়ে এলাকাবাসীর মধ্যে একটি ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। মসজিদের বিষয়টি স্থানীয় এলাকাবাসী জানতে চাইলে আহলে হাদিসের অনুসারীরা সাধারন মুসুল্লিদের উপর ক্ষিপ্ত হন। আহলে হাদিসের অনুসারীদের এই আচরনে এলাকাবাসী ফুসে উঠে। অবশেষে এলাকাবাসী এ বিষয়টি জীবননগর উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পৌর মেয়র ও জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করলে বিতর্কিত বিষয়টির মিমাংসায় গতকাল সোমবার সকালে উভয়পক্ষকে নিয়ে জীবননগর থানায় বসেন। সেখানে আহলে হাদিসের সকল সদস্য হাজির হয়ে তাদের ভুল শিকার করেন এবং তারা কোন জঙ্গি সংগঠন বা অন্য কোন সংগঠনের সাথে জড়িত নয় বলে মোচলেকা দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ ইন্সট্রাক্টর হাবিবুর রহমানের নামে বিভিন্নস্থান থেকে কুরিয়ারের মাধ্যমে জিহাদী বইসহ বিভিন্ন ধরনের অনুদান আসে। এগুলো তার অনুসারীদের মাঝে বিতরণ করায় সুন্নিদের মধ্যে ভেদাভেদ সৃষ্টি করছে। এ বিষয়ে হাবিবুর রহমানের মতামত জানতে তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য গ্রহন তরা সম্ভব হয়নি।
