ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা শহরের গুরুত্বপূর্ণ দুটি সড়কের সংযোগ সড়ক কবরী রোডের বেহাল দশা দীর্ঘদিন ধরেই। পিচ কার্পেটিং উঠে গিয়ে পুরো সড়কে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় অনেক গর্তের। ফলে ধুলা-বালু আর খানা-খন্দে ভরপুর এই সড়ক দিয়ে চলাচল করতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শহরের স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ পথচারীদের।
জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের প্রধান দুটি সড়ক, একটি কলেজ রোড় অপরটি শহীদ আবুল কাশেম সড়ক। আর এই সড়ক দুটির আরও দুটি সংযোগ সড়ক থাকলেও কবরী রোডটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ এ জেলার মানুষের কাছে। কারণ কলেজ রোড ও শহীদ আবুল কাশেম সড়কের পাশেই গড়ে উঠেছে এ জেলার সকল গুরুত্বপূর্ণ অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক-বীমা, হাট-বাজার, শপিংমলসহ নানা ধরনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। ফলে কবরী রোডটি ব্যবহার করে সহজে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে জেলার মানুষ।
এছাড়াও জেলা আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসসহ চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক পৌর মেয়র, জেলা যুবলীগের আহ্বায়কের বাড়ি কবরী রোডের সাথে হওয়াতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক কার্মকাণ্ডেও কবরী রোডে মানুষের চলাচল বেশি হয়। দীর্ঘদিন ধরে সড়কে পিচ কার্পেটিং উঠে গিয়ে ছোট-বড় অনেক গর্তের সৃষ্টি হওয়াতে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ জনগণ, ইজিবাইক, পাখিভ্যান, প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের যাত্রীদের চলাচলেও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হালকা বৃষ্টি হলে দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকে সড়কে, ভাঙা স্থানগুলোতে তৈরি হয় কাঁদা। আবার শুকিয়ে গেলে প্রচুর ধুলা-বালু। গাড়ি চলাচলের সাথে ধুলা-বালু উড়ে গিয়ে বাড়িঘরসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পড়ে ধুলার স্তুূপে পরিণত হয়।
বেশ কিছু ইজিবাইক চালকের সাথে কথা হলে তারাও জানান বিস্তর অভিযোগ। ইজিবাইক চালকরা বলেন, অনেক স্থানে অর্ধেক রাস্তার পিচ উঠে পড়েছে, সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় অনেক গর্ত। ফলে মাঝে মাঝেই ঘটছে ছোট-বড় অনেক দুর্ঘটনা। ইজিবাইক চালকরা আরও বলেন, এই সড়কটি ব্যবহার করে শহরের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করা সহজ হয় একই সাথে সময়ও কম লাগে। ফলে ছোট ছোট যানবাহনগুলোর কাছে কবরী রোডের গুরুত্ব অনেক বেশি।
স্কুলগামী কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে কথা হলে তারাও বলেন, রাস্তা ভাঙা থাকার কারণে ড্রেনের ওপর দিয়ে হাঁটাচলা করে স্কুলে যেতে হয় তাদের। এছাড়াও রাস্তায় ওড়া ধুলা-বালু চোখের মধ্যে গেথে যাওয়াসহ দুর্ঘটনা নিয়েও উদ্বিগ্ন তারা। তবে এ অঞ্চলের মানুষের নির্বিঘ্নে চলাচলের জন কর্তৃপক্ষ খুব দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করার উদ্যোগ নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন সাধারণ মানুষ।
