ছবির ক্যাপশন:
প্রতিবেদক, মেহেরপুর:
জজ কোর্টের পিয়ন পিতার অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে ও সঠিক বিচারের দাবিতে ভাই ও মাকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইব্রাহীম নামের এক যুবক। গতকাল রোববার বেলা ১১টায় মেহেরপুর রিপোর্টার্স ক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদত সম্মেলন করেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে ইব্রাহীম বলেন, ‘আমার পিতা জজ কোর্টের পিয়ন রফিকুল ইসলাম আমার নানার দেওয়া মায়ের নামে বাড়ি বন্দক রেখে কৃষি ব্যাংক থেকে ৮০ হাজার টাকা লোন নেয়। এছাড়াও আমার মায়ের নামে ব্র্যাক ব্যাংক, গ্রামীণ ব্যাংক, পদক্ষেপ এনজিও থেকে ঋণ নেয়। এরপর বাবা মায়ের বাড়ি তার নামে লিখে নিতে ও ৪ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে আমাদের ফেলে ২০১১ সালে চলে যায়। আমার মাকে ছাড়াও তিনি ৬টি বিবাহ করেন। এর মধ্যে আমার বাবার অপর স্ত্রী কাদা খাতুন বিদ্যুতস্পৃষ্টে মারা যান। এই মারা যাওয়া নিয়েও বিতর্ক আছে। আমার মা সেই সময় কোর্টে মামলা করেন। মামলাটি কোনো তদন্ত ছাড়া খারিজ হয়ে যায়। এরপর আমার মা পুনরায় মামলা করলে আমাকে মায়ের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে বলে, আমি রাজি না হওয়ায় আমাকে বিষপান করায় ও তিনি নিজেও বিষপান করে। এসময় বাবার অপর স্ত্রী শাহেনা খাতুন আমার পিতার নামে (সি আর ২৪৭/১৪) মামলা করে। আমার পিতা হাজতে যায়। আমার মা আমাদের সুখের কথা ভেবে অনেকের কাছে ধারদেনা করে ৬৫ হাজার টাকায় আপস-মীমাংসা করে। কিন্তু দীর্ঘ দিনেও আমার বাবা আমাদের কোনো খোঁজখবর নেয়নি। এখন কৃষি ব্যাংকের ঋণ বেড়ে ২ লাখে পৌঁছেছে। এ ঋণের জন্য ব্যাংক আমাদের তাগিদা দিচ্ছে। বাড়ি নিলামে উঠবে বলেও জানিয়েছে। আমরা জজ সাহেবের সাথে দেখা করা জন্য অনেকবার চেষ্টা করেছি কিন্তু জজ কোর্টের কর্মরত লোকজন আমাদের তার সাথে দেখা করতে দিচ্ছে না। আমরা এর সঠিক তদন্তসহ বিচার দাবি করছি।’ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইব্রাহীমের মা ছকিনা খাতুন ও বড় ভাই রাকিবুল ইসলাম সনি।
