চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পদ্মবিলা ইউনিয়নে নবগঙ্গা নদী খনন অনিয়মের সত্যতা পেয়েছে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন

আপলোড তারিখঃ 2017-06-04 ইং
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পদ্মবিলা ইউনিয়নে নবগঙ্গা নদী খনন অনিয়মের সত্যতা পেয়েছে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ছবির ক্যাপশন:
`chuadanga নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পদ্মবিলা ইউনিয়নে নবগঙ্গা নদী খননে অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন। গতকাল শনিবার বেলা ৯ টায় সদর উপজেলার বুড়োপাড়া ও চন্ডিপুরসহ নদী এলাকা ঘুরে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে বলে দাবি করেছেন কমিশনের জেলা সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আশরাফুল ইসলাম খোকন। নদী সংলগ্ন একাধিক গ্রাম থেকে এলাকাবাসীর অভিযোগ ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আশরাফুল ইসলাম খোকনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সরেজমিন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে নদীর দুইপাড়ের গ্রামগুলোর মানুষের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। গ্রামগুলো হচ্ছে ধুতুরহাট, শাহাপুর, চ-িপুর ,বুড়োপাড়া, সুবদিয়া ও বালিয়াকান্দি। এলাকাবাসী মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিদলকে জানান, সদর উপজেলার ধুতুরহাট থেকে বালিয়াকান্দি পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা নদী খননের জন্য কাজ শুরু হয়। এজন্য ছয়জন পিআইসি নিয়োগ করা হয়। পিআইসি নিয়োগে নীতিমালা না মেনে গরিবের পরিবর্তে ধনীদের নেওয়া হয়। আবার নদীর তলদেশ খনন না করে এক্সাভেটর দিকে আঁচড় দেওয়া হয়। এবং  কোথাও নামমাত্র খনন এবং কোথাও খননের পরিবর্তে নদীর বুক ভরাট করে সমান করা হয়। তাছাড়া, নদীর খনন মাপ করার আগেই জিকে ক্যানেল থেকে পানি ঢুকিয়ে  দেওয়া হয়। এতে এলাকাবাসী ফুঁসে উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি এক কোটি ৪২ লাখ টাকার প্রকল্পের কাজ পিআইসিরা ৩০ লাখ টাকাও খরচ করেননি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিদল সরেজমিন ঘুরে বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ করেন এবং মূল্যায়ন করেন। কমিশনের সাধারণ সম্পাদক এলাকাবাসীকে জানান, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে। এবং সরকারের মহৎ উদ্দেশ্য সফল না করে  মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা ও পিআইসিরা অর্থ আত্মসাতের খেলায় মেতেছেন। এজন্য জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি দুদকসহ সরকারি বিভিন্ন সংস্থায় অভিযোগ করা হবে। উল্লেখ্য , জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় ১ কোটি ৪২ টাকা ব্যয়ে চলতি বছরের ১২  ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে ৩০ এপ্রিল কাজের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।  জেলা মৎস্য অফিসের তত্বাবধানে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কার্যক্রমের শুরু থেকে বাস্তবায়নের শেষ সময় পর্যন্ত প্রতিটা ক্ষেত্রে অভিযোগ আসতে থাকায় প্রকল্পের সুফল ও সফলতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)