ছবির ক্যাপশন:
সমীকরণ প্রতিবেদন:
চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের মধ্যস্থতায় নাজমা খাতুন ফিরে পেল তাঁর সুখের সংসার। গতকাল বুধবার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে উভয়পক্ষকে হাজির করে এ সমাধান করা হয়।
জানা যায়, জীবননগর উপজেলার আনসারবাড়িয়ার মিজানুর রহমানের মেয়ে নাজমা খাতুনের (২৩) সাথে দামুড়হুদা দশমীর শামীম হোসেনের ছেলে সোহাগ হোসেনের চার বছর পূর্বে বিবাহ হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তান রয়েছে। বিবাহের পর থেকে মো. সোহাগ হোসেন ও তার পরিবারের লোকজন যৌতুকের দাবিতে নাজমা খাতুনকে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করতে থাকে। নাজমার পিতা-মাতা বিভিন্ন সময়ে নগদ টাকা এবং আসবাবপত্র মেয়ের সংসারের সুখের কথা চিন্তা করে পাঠায়। তবুও অত্যাচার কমে না শুধুমাত্র সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে শতকষ্ট সহ্য করে নাজমা সংসার করছিলেন।
একপর্যায়ের নাজমা তার স্বামী ও তার পরিবারের নির্মম অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে তার শিশুকন্যাকে নিয়ে পিতার বাড়িতে চলে আসে এবং সন্তানকে নিয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির হয়ে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিশ সুপার উক্ত অভিযোগটি জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) চুয়াডাঙ্গার অফিসার ইনচার্জ মাহাব্বুর রহমান এবং এএসআই আহসান কবিরের মাধ্যমে গতকাল বুধবার উভয়পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। চুয়াডাঙ্গার মানবিক পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় মো. সোহাগ হোসেন তাঁর স্ত্রী নাজমাকে নিয়ে সব বিবাদ ভুলে সংসার করতে সম্মত হয়। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধায়নে মোছা. নাজমা খাতুন ফিরে পেল তার সুখের সংসার।
