প্রতিবেদক, কার্পাসডাঙ্গা:
দামুড়হুদা উপজেলার কোমরপুরে ছাগলে ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে হাতুড়িপেটায় নারীসহ উভয়পক্ষের তিনজন মারাত্মক আহত হয়েছেন। প্রতিবেশীরা তাঁদের উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের কোমরপুর গ্রামের মাঠপাড়ার ইসলাম আলীর বাড়ির পার্শে একটি জমিতে একই গ্রামের মৃত ইক্তার আলীর ছেলে ইয়ানবী ঘাস লাগায়। ঘাস লাগানো জমিতে ছাগল লেগে ঘাস খেলে ইয়নবীসহ ছেলে ওমর ফারুক ও ইসলাম আলীর ছেলে কালু কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। কালু এবং তার মা আকলিমা খাতুনকে (৫৫) বেধড়ক পিটিয়ে মারাত্মক আহত হয়েছে। আকলিমা খাতুনের মাথায় ১৬টি ও কালুর মাথায় ৬টি সেলায় পড়েছে।
এ বিষয়ে ওমর ফারুকের সাথে কথা বললে তিনি জানান, ‘কালুদের বাড়ির নিকট আমাদের তিন বিঘা জমি আছে। ওই জমিতে ধান ও ঘাস লাগানো আছে। প্রত্যেক দিন প্রত্যাহ দিন ছাগল ছেড়ে দিয়ে ধান ও ঘাস খায় বলতে গেলে কালু আমার মাথায় হাসুয়া দিয়ে কোপ মেরে মারাত্মক আহত করে। আমার মাথায় ১০টি সেলাই দিয়েছে।’
কালুর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ফারুকদের ঘাসে আমার ১টি ছাগল গিয়েছিল। ফারুকের সাথে আমার কথা হচ্ছিল, কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগে আমার মাথায় রড দিয়ে মেরে দেয়। আমি আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আমার মা এগিয়ে আসলে তাকেও হাসুয়া দিয়ে মাথায় কোপ মেরে আহত করে।’
প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানান, ‘ইয়ানবী ও তার ছেলে ওমর ফারুক কালুর সাথে কথা কাটাকাটি করতে থাকলে ইয়ানবী পেরেক তোলা হাতুড়ি দিয়ে কালুর মাথায় সাজরো আঘাত করে। কালুর মা এগিয়ে আসলে তাকে রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে।’
দামুড়হুদা মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাটির বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উভয় পক্ষ অভিযোগ দায়ের করেছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
