ছবির ক্যাপশন:
সমীকরণ প্রতিবেদন:
চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম জাহিদের মধ্যস্থতায় সুমাইয়া আক্তার ফিলে পেলেন তাঁর সুখের সংসার। গতকাল মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে স্থাপিত ‘উইমেন সার্পোট সেন্টার’-এর মাধ্যমে তাঁদের সাংসারিক কলোহের অবসান ঘটে।
জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার সাতগাড়ি হিজড়াপাড়ার বিল্লাল হোসেনের মেয়ে মোছা. সুমাইয়া আক্তারের (২২) সঙ্গে দামুড়হুদা উপজেলার উজিরপুরের তাইজেল আলীর ছেলে সুমন আলীর (২৪) পাঁচ বছর পূর্বে বিবাহ হয়। দাম্পত্য জীবনে তাসফিয়া আক্তার মিম্মা নামে তাঁদের একটি ফুটফুটে কন্যাসন্তান রয়েছে। বিবাহের পর থেকে সুমন আলী ও তার পরিবারের লোকজন যৌতুকের দাবিতে সুমাইয়া আক্তারকে শারীরিক ও মানসিকভাবে অত্যাচার করতে থাকে। সুমাইয়ার পিতা-মাতা বিভিন্ন সময়ে নগদ টাকা এবং আসবাবপত্র মেয়ের সংসারের সুখের কথা চিন্তা করে পাঠায়। তবুও অত্যাচার কমে না শুধুমাত্র সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে শতকষ্ট সহ্য করে সুমাইয়া সংসার করছিলেন।
একপর্যায়ের সুমাইয়া তাঁর স্বামী ও তাঁর পরিবারের নির্মম অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে তার শিশু কন্যাকে নিয়ে সাতগাড়ি হিজরাপাড়ায় ভাড়া বাসায় ওঠে এবং সন্তানকে নিয়ে মানবিক পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিশ সুপার উক্ত অভিযোগটি তাঁর কার্যালয়ে অবস্থিত ‘উইমেন সাপোর্ট সেন্টার’-এর মাধ্যমে গতকাল উভয় পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে মানবিক পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম এর প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় মো. সুমন আলী সুমাইয়াকে নিয়ে সব বিবাদ ভুলে সংসার করতে সম্মত হয়। ফলে পুলিশ সুপারের প্রত্যাক্ষ তত্ত্ববধানে মোছা. সুমাইয়া আক্তার ফিরে পেল তাঁর সুখের সংসার ও তাসফিয়া আক্তার মিম্মা পেল পিতৃ স্নেহ।
