ছবির ক্যাপশন:
মিঠুন মাহমুদ:
জীবননগর উপজেলায় বস্তায় আদা চাষের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন অনেকেই। এতে পরিবারের চাহিদা মেটানোর পর বাজারে বিক্রি করে লাভের আশা করছেন তরুণ উদ্যোক্তারা। বসতবাড়ির আশপাশে, আঙিনায়, কিংবা অন্যান্য পতিত জমিতে জৈব সার আর মাটির বস্তায় আদা চাষ করতে হয়। এক-একটি বস্তায় একটি করে বীজ আদা রোপণ করে ২ থেকে ৩ কেজি পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ চাষে তেমন একটা রোগী-ব্যাধী হয় না বললেই চলে। বীজ লাগানোর সময় মাটি শোধন করে নিলে আদার মড়ক লাগার সম্ভবনা কমে যায়।
জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের গঙ্গাদাশপুর গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা আলহাজ্ব জানান, বছরের কয়েক মাস আদার দাম বেড়ে যায়। সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যায়। তাই এ বছর স্বল্প পরিসরে বস্তায় আদা চাষ করে পরিবারের চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে। একই গ্রামের সাকিবুর রহমান জানান, গত বছর ২৫টি বস্তায় আদা চাষ করে সফল হয়েছেন। আগামী বছর শতাধিক বস্তাতে আদা লাগাবেন বলে জানান। পরিবারের চাহিদার মেটানোর পরও বাড়তি আয়ের আশা করছেন তিনি।
এ ব্যাপারে জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন জানান, আদা যেহেতু মসলা জাতীয় ফসল, প্রত্যেকেই যদি বসতবাড়িতে কিংবা পরিত্যক্ত জায়গায় বস্তা পদ্ধতিতে কিছু আদা চাষ করেন, তাহলে পরিবারের চাহিদা মিটিয়েও বাড়তি উপার্জন করতে পারবেন। কৃষি বিভাগের প্রশিক্ষণ কর্মশালাগুলোতে এ ব্যাপারে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
