ছবির ক্যাপশন:
হেলাল উদ্দীন, জয়রামপুর:
লাল শাক চাষ করে ভাগ্য ফেরাচ্ছেন দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের অধিকাংশ প্রান্তিক কৃষকেরা। অল্প খরচ এবং জমি থেকে দ্রুত উত্তলন করা যায় এই লাল শাক। তাই জয়রামপুর গ্রামের মাঠের অধিকাংশ জমি যেন সেজেছে রক্তিম লাল শাকে।
লাল শাক চাষি মো. রাশেদ (২২) বলেন, ‘আমি বিঘাখানিক লালশাক চাষ করেছি। আমার খরচ হচ্ছে ৮ হাজার টাকার মতো। বাজারে দামও ভালো, এক দফা লাল শাক বিক্রি করেছি প্রায় ১৫ হাজার টাকার মতো। এখন দ্বিতীয় দফা লাল শাক চাষ করছি, আরও ১০ হাজার টাকা লাভের আশা করছি।’
জয়রামপুর চায়ের দোকান মাঠের আরেক লাল শাক চাষি মাহমুজ (২৩) জানান, লাল শাক একটি খাটো আবাদ ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে বাজারজাত করা যায় এবং দাম যদি ভালো থাকে, ৪ থেকে ৫ টাকা আটি পাইকারি বিক্রি করা যায়। তাতে করে খরচের তুলনায় লাভ থাকে ভালো। এবং লাল শাক ৪ দফা পর্যন্ত জমি থেকে সংগ্রহ করা যায়। এই লালশাক চাষে লোকসানের সম্ভাবনা খুবই কম।
এদিকে লাল শাক চাষে কৃষকের উদ্বুদ্ধ করতে দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিসার মনিরুজ্জামান বলেন, শুধু লালশাকই নয়, গ্রামে পড়ে থাকা অনাবাদি জমিতে পুষ্টিবাগান করার লক্ষ্যে সরকারের প্রকল্প অনুযায়ী আমি কাজ করে যাচ্ছি। গ্রামের এই অনাবাদি জমি যেন গ্রামের মানুষ ফেলে না রাখে, সেই লক্ষ্যে কৃষি অফিস থেকে বিভিন্ন সবজির বীজ সরবরাহসহ কীভাবে অনাবাদি জমিতে বিভিন্ন সবজি চাষ করবে, সে বিষয়ে কৃষি অফিস থেকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে। যেন গ্রামের মানুষ পুষ্টিসমৃদ্ধ শাক-সবজি চাষ আবাদ করে, তারা নিজেরা নিজেদের পুষ্টি চাহিদা মিটিয়ে বাজারজাত করে অর্থনৈতিকভাবে যেন সচ্ছল হতে পারে, সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। কৃষি অফিস থেকে যেকোনো পরামর্শ নেওয়ার জন্য দামুড়হুদা কৃষি অফিস, কৃষকদের জন্য সবসময় উন্মুক্ত।
