ছবির ক্যাপশন:
দর্শনা অফিস:
বিদেশ ফেরত জীবননগর উপজেলার নিধিকুণ্ডু গ্রামের ইব্রাহীম খানের ছেলে নাসীর উদ্দিন খান বিভিন্ন প্রজাতির ফলের নার্সারি ও চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। বিদেশ থেকে মাসে যে আয় করেছেন, তার চেয়ে বেশি টাকা দেশে থেকে আয়-রোজগার করে ছেলে-মেয়ে সাথে থেকে সুখেই আছেন তিনি। বিদেশ নয়, দেশে থেকেও স্বালম্বী হওয়া সম্ভব প্রমাণ করেছে নাসীর উদ্দিন খান।
তিনি বলেন, দীর্ঘ চার বছর সৌদি আরবে চাকরি করার পর ২০১৬ দেশে ফিরে আড়াই বিঘা জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফল গাছের নার্সারি তৈরি করি। বর্তমানে এখন নতুন দুটি জাত মালবেরি ও ব্লাকবেরি গাছ তৈরি করেছি। এছাড়া বর্তমানে ৩ বিঘা মালটা, ৫ পিয়ারা, ২৫ কাঠা চায়না কমলা, ২৫ কাঠা নাগপুরি কমলা, আড়াই বিঘা ড্রাগন, হাড়িভাঙ্গা আম, ক্যারেলা নারিকেল, ভিয়েতনামের নারিকেল, চায়না থ্রি লিচু, সিডলেস লেবু, ডার্জিলিং কমলা, ১২ মাসের ফল কাটিমন আম, মেওয়া আতা, আম্রপলি, হিম সাগরসহ বিভিন্ন প্রজাতির চারা পাওয়া যায় নাসির উদ্দিনের ফরহাদ নার্সারিতে। প্রতিবছর ২-৩ লাখ টাকার চারা বিক্রি করে বলে জানান তিনি।
এছাড়া গত কয়েক বছরে একটি ৪ কক্ষবিশিষ্ট পাঁকা বাড়ি, ২ বিঘা জমি ও পালসার মোটরসাইকে ক্রয় করেছি। আমার এসব চারা আশপাশের জেলা মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ফরিদপুর, ঝিনাইদহ, যশোরজেলাসহ সারা দেশে আমার নার্সারির চারা বিক্রি করে থাকি। সরাসরি ও অনলাইনের মাধ্যমেও আমার নার্সারির চারা বিক্রি করে যাচ্ছি। এখন আমার বিদেশ থেকে যে টাকা আয় করতাম, তার চেয়ে বেশি ইনকাম করছি। এ টাকা দিয়ে আমার ছেলে মেয়ের লেখাপড়াসহ সংসার চলছে। এছাড়া জমি ক্রয় করে এবং জমি কিনে আমার ফলের বাগান আরও বড় করার চেষ্টা করছি।
