ছবির ক্যাপশন:
জাহিদ বাবু/মিঠুন মাহমুদ: চুয়াডাঙ্গা জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের সড়ক গুলো খানাখন্দে ভরা জনদুর্ভোগ চরমে। রাস্তাগুলো দিয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এমন কি যে সমস্থ রাস্তাগুলো আছে তার বেশির ভাগ পাকা রাস্তার প্রায় সম্পূর্ন কার্পেটিং উঠে গিয়ে হাজারো খানাখন্দের সৃষ্ঠি হয়েছে। রাস্তাগুলোর এখন বেহাল দশা। দীর্ঘদিন ওই ইউনিয়নবাসী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাজারো মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে। রাস্তায় চলাচল করতে যেয়ে হরহামেশা দুর্ঘটনার শিকার পথচারিরা। জানা গেছে, সীমান্ত ইউনিয়নের রাস্তাগুলো বেশ কয়েক বছর আগে সংস্কার করা হয়েছিল সেই থেকে এ পর্যন্ত আর কোন রাস্তার সংস্কার করা হয়নি। যার ফলে রাস্তা দিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সীমান্ত ইউনিয়নের গঙ্গাদাশপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বাজারে যাওয়ার পথে এ সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা করুন অবস্থা পরিলক্ষিত হয়। কার্পেটিং উঠে গিয়ে ইট-সুড়কি বেরিয়ে পড়েছে। যান চলাচল করছে ঝুঁকি নিয়ে। সড়কের দুই পাশে মাঝে মধ্যে ভেঙ্গে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যান চলাচলে মারাত্বক ব্যাঘাত সৃষ্ঠি হচ্ছে। স্কুল-কলেজগামী ছাত্রছাত্রীদের চলাচল ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এসড়কগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এবিষয়ে সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন ময়েনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, সীমান্ত ইউনিয়নের বেশির ভাগ গ্রামের রাস্তায় খানাখন্দে পরিনত হয়েছে। রাস্তাগুলো সংস্কারের বিষয়ে আমি আমার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিকট লিখিত ভাবে জানিয়েছি এখনও পর্যন্ত কোন ফল পায়নি। এদিকে সীমান্ত ইউনিয়নবাসী এ ইউনিয়নের রাস্তাগুলি মেরামতের জন্য চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য সহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু দৃষ্টি কামনা এলাকাবাসী।
