ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গার ফার্মেসিগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে না জ্বর-ঠান্ডার ওষুধ
আলমডাঙ্গা অফিস:
আলমডাঙ্গায় গত কয়েকদিনে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১০ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। আক্রান্তের সংখ্যাও ১ শ ছাড়িয়েছে। এছাড়া শহরের প্রত্যেক মহল্লায় জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৭০ শতাংশ। এদিকে আলমডাঙ্গার বিভিন্ন ওষুধের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, নাপা, নাপাএক্সটা ও নাপা এক্সটেন্ড কোনো ফার্মেসিতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বণ্ডবিল গ্রামের ইমরান জানান, বর্তমানে বণ্ডবিল মুন্সিপাড়ায় ঘরে ঘরে জ্বরে আক্রান্ত। ওই গ্রামে প্রায় ৪ শ রোগী জ্বরে আক্রান্ত। তাঁদের পরীক্ষা করলে শতকরা ৫০% রোগী করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
এবিষয়ে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাদী জিয়াউদ্দিন আহম্মদ জানান, বর্তমানে আলমডাঙ্গা উপজেলার কমিউনিটির মধ্যে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে। এটা রোধ করতে না পারলে করোনা এই উপজেলায় মহামারি আকার ধারণ করবে। প্রত্যেক ইউনিয়ন ও মহল্লায় মহল্লায় জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ। যে কারণে আলমডাঙ্গা বাজারসহ গ্রামের কোনো বাজারে নাপা, নাপা এক্সটা ও নাপা এক্সটেন্ড পাওয়া যাচ্ছে না। কোম্পানিও সাপ্লাই দিতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, একটা বিষয় লক্ষ্য করা যাচ্ছে গ্রামের মধ্যে বেশির ভাগ বাড়িতে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে যারা ওষুধ সেবন করে সুস্থ হয়েছেন, হয়ত তারা জানেন না তারা করোনায় আক্রান্ত ছিল। এমন মানুষ প্রায় ৪০%। মানুষের এন্টিবডি তৈরি হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে সোমবার থেকে। এনিয়ে আলমডাঙ্গা উপজেলা করোনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে লকডাউন সার্থক করতে কী করণীয়, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।
