ছবির ক্যাপশন:
সমীকরণ প্রতিবেদন:
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের মধ্যস্থতায় সুখের সংসার ফিরে পেলেন কেমেলিয়া (৩৫)। গতকাল সোমবার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের উইমেন সাপোর্ট সেন্টারে ওই নারী এলে পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় তিনি তাঁর সুখের সংসার ফিরে পান।
জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার জ্বীনতলাপাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত রবিউল ইসলামের মেয়ে মোছা. কেমেলিয়া সাথে চুয়াডাঙ্গা দৌলতদিয়াড়ের জাহাঙ্গীর আলমের (৪০) ইসলামী শরিয়া মোতাবেক বিবাহ হয়। দাম্পত্য জীবনে তাঁদের একটি সন্তান রয়েছে। বিবাহের পর থেকে জাহাঙ্গীর যৌতুকের দাবিতে তাঁর স্ত্রী কেমেলিয়াকে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করতে থাকে। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে শতকষ্ট সহ্য করে কেমেলিয়া সংসার করছিলেন। একপর্যায়ের কেমেলিয়াকে তাঁর স্বামী জাহাঙ্গীর আলম হত্যার চেষ্টাসহ তালাকের হুমকি দেন। অসহায় কেমেলিয়া তাঁর ছেলেকে নিয়ে তাঁর পিতার বাড়িতে আশ্রয় নেন। কেমেলিয়া কোথাও কোনো সাহায্যের আশ্বাস না পেয়ে অবশেষে স্বামীর সংসার করার জন্য পুলিশ সুপারের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিশ সুপার অভিযোগটি তাঁর কার্যালয়ে অবস্থিত ‘উইমেন সাপোর্ট সেন্টার’-এর মাধ্যমে গতকাল উভয়পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে মানবিক পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় জাহাঙ্গীর আলম এবং কেমেলিয়া দম্পত্তি পুনরায় সংসার করতে সম্মত হয়। ফলে উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের কল্যাণে অসহায় কেমেলিয়া ফিরে পেল তাঁর সুখের সংসার।
