নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় বাড়ির নির্মাণ কাজে বাঁধা দেওয়ায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলেন যুদ্ধাহত একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। গতকাল বুধবার বড় বাজার (পুরাতন গলির ভিতরে) পাড়ার মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. খবির উদ্দীন খান চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় এ সাধারণ ডায়েরিটি করেন। সাধারণ ডায়েরিতে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. খবির উদ্দীন খান লিখিতভাবে জানিয়েছেন, বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ইং) বেলা আনুমানিক সাড়ে এগারোটার দিকে ১। রানা ওরফে মেছো রানা, পিতা: সাইদুল (২৪), সাং- জ্বিনতলাপাড়া, চুয়াডাঙ্গাসহ অজ্ঞাত আরও দুজন চুয়াডাঙ্গা বড় বাজারের পুরাতন গলির মধ্যে আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তির ওপর নির্মাণাধীণ ভবনের সাইটে এসে কর্মরত নির্মাণ শ্রমিকদের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতে বলে। কর্মরত শ্রমিকরা রানার কথায় কর্ণপাত না করায় জোরপূর্বক নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয় ও গালিগালাজ করে। এসময় রানা তার দলবল নিয়ে শ্রমিকদের শাসিয়ে বলে যে, তার নির্দেশ অমান্য করে নির্মাণকাজ করলে কুপিয়ে কেটে ফেলবে। সংবাদ পেয়ে আমি নির্মাণাধীণ সাইটে গিয়ে ঐ দুর্বৃত্তদের পাইনি। পরে আমি স্থানীয়দের কাছে জানতে পারি নির্মাণকাজে বাধানদানকারী ও হুমকিদাতাদের একজনের নাম রানা এবং অন্যরা অজ্ঞাত।
সাধারণ ডায়েরীতে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মো. খবির উদ্দীন খান আরো জানান, এই রানা ইতোপূর্বে চুয়াডাঙ্গা নিউ মার্কেটস্থ আমার ছেলের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘নন্দন’ থেকে জোরপূর্বক ১১,০০০/- মূল্যের পোশাক নিয়ে গিয়েছিল। পরে তৎকালীন মেয়র জনাব রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটনের হস্তক্ষেপে মালামাল ফেরত দিতে বাধ্য হয়।
যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. খবির উদ্দীন খানের পুত্র ও চুয়াডাঙ্গা সমবায় নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন পারভেজ খান বলেন, আমি খবর পেলাম রানা নামের একজন এখানে এসে গালাগালি ও হুমকি দেয়। প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে আমরা জানিয়েছি। আমরা এর থেকে পরিত্রাণ চাই।
বাড়ির নির্মাণকাজের শ্রমিকরা বলেন, কয়েকজন এসে আমাদের গালিগালি করে কাজ বন্ধ করতে বলে। একজন মাটি কাটলে আমাদের কোপ মারার হুমকিও দেয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এবিষয়ে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধারণ ডায়েরি করেছেন। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেবো।
