ছবির ক্যাপশন:
মিঠুন মাহমুদ:
জীবননগরে জেঁকে বসেছে শীত। এ কারণে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। বয়স্ক ও শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে শীতজনিত রোগে। গত তিন দিনে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোল্ড ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ৩০ জন রোগী। তাদের বেশির ভাগই শিশু। তবে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও রয়েছে ওষুধ সঙ্কট। যা সাধারণ রোগীদের চরম বিপাকে ফেলছে।
হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন শিশু রোগী সুমাইয়ার মা বলেন, গত কয়েকদিন ধরে তাঁর সন্তান ঠাণ্ডাজনিত রোগে ভুগছিল। চিকিৎসকের পরামর্শে দুই দিন আগে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। শিশুটির ডায়রিয়াও হয়েছে। আগের থেকে শিশুর অবস্থা বর্তমানে কিছুটা ভালো। তবে হাসপাতালে ওষুধ না থাকায় বেশির ভাগ ওষুধ বাইরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে।
হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে কর্মরত এক সিনিয়ন স্টাফ নার্স বলেন, ১০-১২ দিন ধরে শিশু ওয়ার্ডে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। অন্য সময়ে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে যেখানে প্রতিদিন ১ থেকে ৩ জন শিশু ভর্তি হতো, এখন সেখানে ৯ থেকে ১০ জন করে শিশু ভর্তি হচ্ছে। আক্রান্ত শিশুদের বেশির ভাগই পাঁচ বছরের নিচে।
জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মাহমুদ বিন হেদায়েত সেতু বলেন, প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তীব্র শীতে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত এসব রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। শিশুদের সব সময় গরম পরিবেশে রাখতে হবে। ডায়রিয়া প্রতিরোধের জন্য সব সময় গরম খাবার খেতে হবে। হাসপাতাল যে সমস্থ রোগী ভর্তি হচ্ছে, তাদেরকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে হাসপাতালে ওষুধের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। অতিদ্রত এ সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
