ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও আলমডাঙ্গা উপজেলার প্রথম চেয়ারম্যান
বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন
সমীকরণ প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা তথা দেশের প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব ও সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান মকবুলার রহমানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর মুন্সিগঞ্জ একাডেমি সংলগ্ন জেহালা ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জানাজার নামাজ শেষে ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন কবরস্থানে প্রখ্যাত এই বুদ্ধিজীবীর দাফনকার্য সম্পন্ন করা হয়। এর আগে মকবুলার রহমানের মরদেহ জেহালা ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে সর্বস্থরের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়। এসময় চুয়াডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদ, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখা, বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ, চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে। এছাড়া দৈনিক সময়ের সমীকরণ পত্রিকা পরিবারের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান পত্রিকার প্রধান উপদেষ্টা সাবেক মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন, প্রকাশক-সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ ও বার্তা সম্পাদক হুসাইন মালিক। পরে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক, সাবেক মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, আলমডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান আয়ুব হোসেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইসলামীক আলোচক ডা. হুমায়ন কবির এবং মরহুমের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান পুলক প্রখ্যাত এই বুদ্ধিজীবীর স্মৃতি চারণ করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। জানাজার নামাজ ও দাফনকার্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জেহালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রোকন, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমতি, চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ, বিএনপি নেতা আলহাজ্ব মীর মহিউদ্দীন, ইকবাল আতাহার তাজ, ব্যাংক কর্মকর্তা ফিরোজ, সাংবাদিক রফিক রহমান, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত কাউন্সিলর সাংবাদিক কামরুজ্জামান চাঁদ, অনিক সাইফুলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ।
উল্লেখ্য, দেশের প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী মকবুলার রহমান গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টায় ৯৫ বছর বয়সে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে জেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রখ্যাত এই বুদ্ধিজীবী আলমডাঙ্গা উপজেলার জেহালা বাজারের প্রয়াত ডা. মকছুদ আলীর ছেলে। তিনি বেশ কয়েকমাস ধরে শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী উম্মে আতিয়া বানু, ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান পুলক, মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মকবুলার রহমান ১৩৩৩ বঙ্গাব্দের (১৯২৬ খ্রি.) ১ আষাঢ় আলমডাঙ্গায় নাগদহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ও শান্তিনিকেতন থেকে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন। ১৯৫০ সালে তিনি মুন্সিগঞ্জ একাডেমির প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান করেন। ১৯৬৮-১৯৭১ জেহালা ইউনিয়ন পরিষদের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি একইসাথে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশ গেরিলা বাহিনীর উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন তিনি। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সাহিত্য অনুরাগী এবং পণ্ডিত ব্যক্তি হিসেবে তিনি সুপরিচিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, দেশের প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী মকবুলার রহমান গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টায় ৯৫ বছর বয়সে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে জেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রখ্যাত এই বুদ্ধিজীবী আলমডাঙ্গা উপজেলার জেহালা বাজারের প্রয়াত ডা. মকছুদ আলীর ছেলে। তিনি বেশ কয়েকমাস ধরে শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী উম্মে আতিয়া বানু, ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান পুলক, মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মকবুলার রহমান ১৩৩৩ বঙ্গাব্দের (১৯২৬ খ্রি.) ১ আষাঢ় আলমডাঙ্গায় নাগদহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ও শান্তিনিকেতন থেকে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন। ১৯৫০ সালে তিনি মুন্সিগঞ্জ একাডেমির প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান করেন। ১৯৬৮-১৯৭১ জেহালা ইউনিয়ন পরিষদের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি একইসাথে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশ গেরিলা বাহিনীর উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন তিনি। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সাহিত্য অনুরাগী এবং পণ্ডিত ব্যক্তি হিসেবে তিনি সুপরিচিত ছিলেন।
