ইউপি চেয়ারম্যান রানার সংবাদ সম্মেলন

আপলোড তারিখঃ 2021-01-03 ইং
ইউপি চেয়ারম্যান রানার সংবাদ সম্মেলন ছবির ক্যাপশন:
মেহেরপুর জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস গ্রন্থে অসত্য তথ্য প্রকাশের অভিযোগ গাংনী অফিস: মেহেরপুর জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস গ্রন্থে অসত্য তথ্য প্রকাশের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে গাংনী উপজেলার ১নং কাথুলী ইউনিয়নের একাধিকবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ-কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান রানা। গতকাল শনিবার বেলা ১১টার সময় গাড়াবাড়িয়া নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মিজানুর রহমান রানা বলেন, কথা সাহিত্যিক রফিকুর রশিদ রিজভীর লেখা ‘মেহেরপুর জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস’ নামক একটি বই প্রকাশ করেন। ২০০৯ সালে গতিধারা প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত বইটিতে পরিশিষ্ট-ঘ (২৪৯) ও পৃষ্ঠা ২৫৩ ক্রমিক নং-২৭ এ গাড়াবাড়িয়া গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলামকে স্বাধীনতা বিরোধী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। বইটিতে একটি জায়গাতে বলা হয়েছে ইচ্ছার বিরুদ্ধেও শান্তি কমিটির সদস্য হিসেবে নাম লেখাতে বাধ্য হয়েছেন অনেকে। এ ব্যাপারে ভিন্নমত রয়েছে বলেও লেখক ফুটনোটে উল্লেখ করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানান, জন্ম নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী আমিনুল ইসলামের জন্ম ১৯৫৭ সালের ১৮ই অক্টোবর। সে অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধের সময় আমিনুল ইসলামের বয়স মাত্র ১৩ বছর। আমিনুল ইসলামের পরিবারের দাবি ১৩ বছরের কিশোর কিভাবে শান্তি কমিটির সদস্য হতে পারেন? আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তা সম্বপূর্ণরুপে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। এছাড়াও আমিনুল ইসলাম ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত কাথুলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৭৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এনামুল হকের নৌকার পক্ষে নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে গিয়ে বিএনপি সরকারের রোষানলেও পড়েন তিনি। মিজানুর রহমান রানা নিজেও ছাত্র জীবন থেকে ১৯৯২ সালে মেহেরপুর সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগ মনোনীত প্যানেল থেকে সমাজ-কল্যাণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন এবং কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি ও জেলা ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে সক্রিয় দায়িত্ব পালন করেন। কাথুলী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে নৌকায় মনোনীত হয়ে দু-দুবার ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়ে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। লেখক তাঁর লেখা বইটি প্রত্যাহার ও সংশোধন করবে এমন দাবি জানান আমিনুল ইসলামের পরিবার। এসময় আমিনুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্য ও প্রবীণ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এবিষয়ে ‘মেহেরপুর জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস’ বই-এর লেখক কথা সাহিত্যিক রফিকুর রশিদ রিজভী বলেন, ‘আমি মেহেরপুর জেলার মুক্তিযুদ্ধকালীণ তথ্য সংগ্রহের সময় প্রতিটি এলাকায় ঘুরেছি। প্রবীণদের সঙ্গে কথা বলেছি তারপর বইটি লেখার কাজ শুরু করেছি। ব্যক্তি আক্রোশ বা কাউকে সামাজিকভাবে হেয় করা আমার উদ্দেশ্য নয়। তারপরেও বইটির প্রথমে বলা হয়েছে আমার তথ্য বিষয়ে যদি কোনো ভুল থেকে থাকে তাহলে আগামী সংস্করণে সংশোধন করে প্রকাশ করা হবে। সেক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে হবে দ্বিমতকারীদের।’

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)