ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় দ্রুতগামী ট্রাকের ধাক্কায় আহত দোকান কর্মচারী গোলাম মোস্তফাকে রাজশাহী নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়েছে। গত বুধবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। মোস্তফার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে নেমে আসে শোকের ছায়া। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে মা-বাবা পাগল প্রায়। গতকাল জোহরের নামাজের পর জানাজা শেষে গ্রামের কবরস্থানে তাঁর দাফনকার্য সম্পন্ন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত বুধবার রাত ৭টার দিকে সদর উপজেলার আলুকদিয়া বাজারের অদূরে মেহেরপুর কোলার মোড়ে টাকা হালখাতা করতে গিয়েছিলেন বড়বাজারের মাতৃ জুয়েলার্সের স্বত্ত্বাধিকারী তপন হালদার ও তাঁর দোকানের কর্মচারী গোলাম মোস্তফা। সন্ধ্যায় মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে আলুকদিয়া বাজার পার হওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা কলেজছাত্র তাহাজ্জেদ হোসেনের বাইসাইকেলের সাথে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় ছিড়কে পিছন দিক আসা দ্রুতগামী একটি ট্রাকের নিচে পড়ে পিষ্ট হন মোটরসাইকেল চালক গোলাম মোস্তফা ও আরোহী তপন হালদার। এসময় ট্রাকটি পালিয়ে যায়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তপনকে মৃত ঘোষণা করেন। গোলাম মোস্তফার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। রাতেই রাজশাহী নেওয়ার পথে তাঁরও মৃত্যু হয়।
