ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটিতে দুর্নীতিবাজদের বাদ দেওয়াসহ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
মুক্তিযোদ্ধা বাছাই কমিটিতে যুদ্ধকালীন কমান্ডার ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অন্তর্ভুক্তকরণ এবং দুর্নীতিবাজদের বাদ দেওয়ার দাবিসহ ১৫ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন চুয়াডাঙ্গার মুক্তিযোদ্ধারা। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। আলমডাঙ্গা উপজেলার সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুস সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
লিখিত বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে ১৫ দফা দাবিতে তিনি বলেন, সনদ যাচাই-বাছাই কমিটিতে থাকা দুর্নীতিবাজ, অর্থ-বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত অসৎ মুক্তিযোদ্ধাদের অর্ন্তভুক্ত না করে যুদ্ধকালীন কমান্ডার ও ভারতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের কমিটিতে রেখে সকল যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ গঠন করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ১২ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ হাজার টাকা করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের উন্নত চিকিৎসাসেবার জন্য চিকিৎসা ভাতা বাবদ মাসিক ১৫ হাজার টাকা দেওয়া। মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের গৃহ নির্মাণের জন্য এককালিন অফেরৎযোগ্য ৫০ লাখ টাকা প্রদান করতে হবে। রেশনিং ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে। ৩ শ ইউনিট ফ্রি বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারি বাস, ট্রেন ও বিমানে বিনা খরচে যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের স্মার্ট কার্ড ও ডিজিটাল সনদ প্রদান করতে হবে। যুদ্ধাহত ও অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য প্রতি উপজেলায় ও জেলা শহরে রোগ মুক্তি বিশ্রামাগার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩০% মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনঃবহাল এবং ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির পদে লিখিত পরীক্ষার পরিবর্তে শুধুমাত্র মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের নিয়োগ দিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবেছ উদ্দিন, সাবেক জেলা কমান্ডার তানজির আহম্মেদ, যুদ্ধকালীন কমান্ডার এরশাদ আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক হাসেম আলী প্রমুখ।
