ছবির ক্যাপশন:
মেহেরপুর অফিস:
মেহেরপুর সদর উপজেলার আলমপুর গ্রামের একটি গোয়াল ঘরে জন্ম নেওয়া কুমারী প্রতিবন্ধী শিশুসন্তানের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। সাত দিন বয়সী বাচ্চাটি মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে সারবিনা খাতুন নামের এক মহিলা তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে অজ্ঞাত এক প্রতিবন্ধী মেহেরপুর সদর উপজেলা আলমপুর গ্রামের আলেকের বাড়ির পাশে একটি গোয়াল ঘরে সন্তান প্রসব করে।
গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগমুহূর্তে ওই প্রতিবন্ধীকে অসুস্থ অবস্থায় ঘোরাফেরা করতে দেখে ওই গোয়ালঘরে নেওয়ার পর তাঁর একটি পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করে। ওই ঘটনার কিছুক্ষণ পর ওই প্রতিবন্ধীকে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে সে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। সন্তান জন্ম নেওয়ার পর থেকেই শিশু সন্তানকে আলমপুর গ্রামের প্রবাসী শফিকুর রহমানের স্ত্রী রহিমা খাতুনের কাছে রাখা হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে পার্শ্ববর্তী শ্যামপুর গ্রামের আব্দুল খালেকের স্ত্রী সারবিনা তাকে লালন-পালন করার ইচ্ছা পোষণ করলে তার জিম্মায় দেওয়ার আগ মুহূর্তে সমাজসেবা অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক কাজী কাদের মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী বিষয়টি জানার পর শিশুটিকে সেখান থেকে নিয়ে সাবরিনা খাতুনের কাছে রেখেই মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়। এদিকে, সমাজসেবা অধিদপ্তর পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসককে বিষয়টি অবহিত করলে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মনসুর আলম খান বলেন, বাচ্চাটি যাতে সুষ্ঠুভাবে বেড়ে উঠতে পারে তার সুব্যবস্থা করা হবে, একই সাথে তিনি বলেন বাচ্চাটিকে যদি কেউ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন তবে আবেদন করতে হবে। একাধিক আবেদন জমা দিলে যাচাই-বাছাই করে তারপর বাচ্চাটিকে তার জিম্মায় দেওয়া হবে
