প্রতিবেদক, দামুড়হুদা:
দামুড়হুদার রামনগর হঠাৎপাড়ায় অন্তরা খাতুন কল্পনা (২১) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। ওই গৃহবধূ আলমডাঙ্গা উপজেলার শালিকা গ্রামের আদম আলির মেয়ে। দামুড়হুদা মডেল থানার পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। গতকাল সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে শ্বশুরবাড়ির বসতঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন।
জানা যায়, কয়েক বছর আগে দামুড়হুদা উপজেলার রামনগর হঠাৎপাড়ার আবুল হোসেন বুড়োর ছেলে মিজানুর রহমানের (২৩) সঙ্গে অন্তরা খাতুন কল্পনার বিয়ে হয়। পারিবারিক কলহের জের ধরে অন্তরা খাতুন ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। স্বামী মিজানুর রহমান বাড়ি এসে দেখেন তাঁর স্ত্রী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পরে পুলিশকে খবর দিলে দামুড়হুদা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর আজিজ লাশের সুরতাহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠান।
এ ঘটনায় গৃহবধূ কল্পনার পিতা আদম আলি বলেন, ‘আমার মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমার মেয়েকে মেরে ফেলে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।’
দামুড়হুদা মডেল থানার এসআই আব্দুল আজিজ জানান, ‘আমরা মহিলা পুলিশ দিয়ে লাশ পর্যবেক্ষণ করেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটা আত্মহত্যা। তবে এখনই সঠিকভাবে কিছু বলা যাবে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই বিস্তারিত জানা যাবে।’ দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
