ছবির ক্যাপশন:
বদরগঞ্জ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ উয়াড়িয়ার আলোচিত মীম হত্যা মামলায় দেড় বছর পর ৬ আসামীর মধ্যে গত ২৭ মার্চ চোরকোলবাজার থেকে আলতাফ হোসেন মেম্বর গ্রেফতার হয়েছে। গত ১৭ মাসে গ্রেফতার শূন্য মামলায় এক জন গ্রেফতারের মধ্যদিয়ে শুরু হল অগ্রগতি। বাকি পাঁচ জন এখনও ধরা ছোয়ার বাইরে। এ ছাড়া অজ্ঞাতদের মধ্যে ১জন গ্রেফতার হলেও জামিনে রয়েছে। এলাকা ও তথ্যসূত্রে জানা যায়, গত ২০১৫ সালের ৩০ অক্টোবর ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ২নং মধুহাটী ইউনিয়নের উয়াড়িয়া গ্রামের কৃষক ইকবালের মেয়ে পার্শ্ববর্তী ধোবাবিলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী মীম (১৫) প্রতিবেশি হুজুর আলীর বাড়িতে ওয়াজ শুনতে যেয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন ৩১ অক্টোবর মীমের মরদেহ পাওয়া যায় উয়াড়িয়ায় চিত্রা নদীর পাড়ে মেহগনি বাগানে। দূর্বৃত্ত্বরা মীমকে শারীরিক ও পাশবিক নির্যাতনের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এ ঘটনার পরদিন ৩১ অক্টোবর থানায় একটি মামলা দায়ের করলেও মীমের পিতা-মাতা সন্তুষ্ট না হওয়ায় নতুন করে ১২ নভেম্বর ২০১৫ মীমের মা বিলকিচ খাতুন বাদী হয়ে ঝিনাইদহ বিজ্ঞ আমলী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে অজ্ঞাতনামা ২/৩জনসহ আরো ৬ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করে। এ মামলায় দেড় বছর পর গত ২৭ মার্চ চোরকোলবাজার থেকে বাজার গোপালপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই সঞ্জয় আসামী আলতাফ মেম্বরকে গ্রেফতার করে। এ বিষয়ে এই মামলার তদন্তকর্মকর্তা ঝিনাইদহ সদর থানার এসআই আনিছ জানিয়েছেন, মামলাটির সকল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এদিকে মীমের পিতা-মাতা আবারো অভিযোগ করে বলেছেন, আসামী আলতাফ মেম্বর গ্রেফতার হওয়ার পর তার এক নিকট আত্মীয় বাড়ি ঘরে আগুন জ্বালিয়ে দেবার হুমকি প্রদান করছে।
