ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গার সরোজগঞ্জ বাজারে মালামাল নামানোকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ বাজারে মালামাল নামানো কেন্দ্র করে বুমার (বস্তার ভেতরের চাউল চেক করার যন্ত্র) আঘাতে তরিকুল ইসলাম নামের (৩২) নামের এক আলমসাধু চালক প্রাণ হারিয়েছেন। গতকাল বুধবার বিকেলে সরোজগঞ্জ বাজারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তরিকুল সদর উপজেলার ভান্ডারদহ গ্রামের মঈন উদ্দীনের ছেলে। এ ঘটনার পর থেকে ঘাতক রিফাত পলাতক রয়েছেন। ঘটনার দিন রাতেই নিহত তরিকুল ইসলামের পিতা মঈন উদ্দীন বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন বলে নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ খান। ঘাতক রিফাত চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কিরণগাছি গ্রামের বদরুদ্দিনের ছেলে। এদিকে, পিতাকে হারিকে ছোট্ট দুই মেয়ে যেন পাগল প্রায়। কিছুতেই যেন কান্না থামছে না তাদের। এলাকায় নেমে এসেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সরোজগঞ্জ বাজারে অবস্থিত মেসার্স গৌতম স্টোরের মামালাল বহনে প্রতিদিন ৪ শ টাকায় চুক্তিভিত্তিক আমলসাধু চালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন তরিকুল ইসলাম। প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল বিকেলে কাজ শেষ করে গৌতম স্টোরে আসেন তিনি। এ সময় পাশের দোকান মেসার্স সাহা স্টোরের কর্মচারী রিফাতের সঙ্গে মালামাল নামানোকে কেন্দ্র করে তরিকুলের তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে রিফাত তাঁর হাতে থাকা বুমা (বস্তা থেকে চাল চেক করার জন্য বিশেষ তৈরি চাকু সদৃশ একটি বস্তু) দিয়ে তাঁর পেটের নিচে আঘাত করেন। এতে তরিকুল ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়লে দ্রুত তাঁকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়ার জন্য রওনা হন। এসময় পথের মধ্যে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে তরিকুলের মৃত্যু হয়।
মেসার্স গৌতম স্টোরের মালিক বলেন, ‘তরিকুল ইসলাম প্রায় বছর খানেক যাবত আমার এখানে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে আসছিল। সে খুবই ভদ্র ছিল। কারোর সঙ্গে কোনো ঝামেলাই থাকত না। গতকাল কোনো কিছু বোঝার আগেই দেখি তরিকুল দোকানের সামনে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। পরে তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানোর আগেই মারা যায় তরিকুল ইসলাম।’
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
এ ঘটনায় গতকাল রাতেই নিহত তরিকুলের পিতা বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ খান বলেন, সরোজগঞ্জ বাজারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুমা দিয়ে দোকান কর্মচারী রিফাত তারই পাশের দোকানের আলমসাধু চালক তরিকুলকে পেটে আঘাত করলে তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা একটি হত্যা মামলা করেছেন। আসামিকে ধরতে আমরা অভিযান চালাচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজ তরিকুলের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের নিকট হস্থান্তর করা হবে বলে।’
এদিকে, বাবাকে হারিয়ে অবুঝ তিন মেয়ে পাগল প্রায়। নিহত তরিকুল ইসলামের বাবা বলেন, ‘আমার ছেলে খুবই শান্তশিষ্ট। কারোর সঙ্গে কোনো ঝামেলা নেই। তরিকুলের প্রথম পক্ষের একটি মেয়ে ও দ্বিতীয় পক্ষের দুটি মেয়ে রয়েছে। তরিকুলের নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
এ ঘটনায় গতকাল রাতেই নিহত তরিকুলের পিতা বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ খান বলেন, সরোজগঞ্জ বাজারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুমা দিয়ে দোকান কর্মচারী রিফাত তারই পাশের দোকানের আলমসাধু চালক তরিকুলকে পেটে আঘাত করলে তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা একটি হত্যা মামলা করেছেন। আসামিকে ধরতে আমরা অভিযান চালাচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজ তরিকুলের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের নিকট হস্থান্তর করা হবে বলে।’
এদিকে, বাবাকে হারিয়ে অবুঝ তিন মেয়ে পাগল প্রায়। নিহত তরিকুল ইসলামের বাবা বলেন, ‘আমার ছেলে খুবই শান্তশিষ্ট। কারোর সঙ্গে কোনো ঝামেলা নেই। তরিকুলের প্রথম পক্ষের একটি মেয়ে ও দ্বিতীয় পক্ষের দুটি মেয়ে রয়েছে। তরিকুলের নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
