ছবির ক্যাপশন:
জীবননগর অফিস:
জীবননগরে জোরপূর্বকভাবে সরকারি জমি দখল করে রাতের আধারে দোকান-ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, সরকারি নিয়মানুযায়ী রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের জমিতে পাঁকা ইমারত বা ভবন নির্মাণে বাধা থাকলেও জীবননগর পৌর শহরের প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি জীবননগর প্রেসক্লাবের সামনে রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের জমি দখল করে অভিনব কায়দায় রাতের আধারে টিনের দোকানের মধ্যে দিয়ে পাঁকা ইমারত নির্মাণ করছেন। এদিকে, রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের জমিতে দোকান ঘর নির্মাণ করতে নিষেধ করলেও সরকারি আদেশ না মেনেই নির্মাণ করছেন এ দোকান ঘর। যা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, ‘রবজেল হোসেন যদি সিঅ্যান্ডবির জমি দখল করে পাকাঘর নির্মাণ করতে পারে, তাহলে আমরা পারব না কেন?’ এ বিষয়ে দোকান ঘর নির্মাণকারী রবজেল হোসেন বলেন, ‘আমি প্রেসক্লাবের সামনে যে দোকান নির্মাণ করছি, এ জমি আমাদের। তা ছাড়া এ জমি নিয়ে সিঅ্যান্ডবির সঙ্গে আমাদের মামলা চলছে।’
রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের দায়িত্বরত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জীবননগর প্রেসক্লাবের সামনে জমি সব রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের সম্পত্তি। এ জমি দখল করে যে ঘর নির্মাণ করছে, আমরা তাকে নিষেধ করলে তিনি বলেছেন আমি ঘর ভেঙে নেব। যদি ঘর ভেঙে না নেওয়া হয়, তাহলে আমরা জমি দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব।’
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, জীবননগর পৌর শহরের মধ্যে রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের যেসব জমি আছে, তার বেশির ভাগটুকু দখলদারদের দখলে। আর এই জমি দখল করে বিভিন্ন দোকানপাট স্থাপন করায় সাধারণ পথচারীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।
জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মুনিম লিংকন বলেন, সরকারি জমি দখল করে যদি কেউ ঘর নির্মাণ করেন, তাহলে অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
