টাকা ফেরতের দাবিতে আমরণ অনশনে গৃহবধূ

আপলোড তারিখঃ 2020-08-21 ইং
টাকা ফেরতের দাবিতে আমরণ অনশনে গৃহবধূ ছবির ক্যাপশন:
গাংনী পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে চাকরি না দেওয়ার অভিযোগ গাংনী অফিস: টাকা দিয়েও চাকরি পাননি গৃহবধূ মৌমিতা খাতুন পলি। গাংনী পৌরসভায় সহকারী কর আদায়কারী পদে চাকরির জন্য মেয়র আশরাফুল ইসলামের কাছে টাকা দেন তিনি। তিন বছর অস্থায়ীভাবে কাজ করানোর পরও তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ফলে টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য আমরণ অনশনে বসেছেন ওই গৃহবধূ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উপজেলা পরিষদ শহীদ মিনারে অনশন শুরু করেন তিনি। তবে পৌর মেয়র জানান, চাকরির জন্য নয়, জমি ক্রয়ের জন্য টাকা দিয়েছিলেন গৃহবধূর স্বামী। তাঁর স্বামীকে সেই টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। গাংনী পৌরসভার শিশিরপাড়া গ্রামের শাহাবুদ্দিনের মেয়ে অনশনকারী মৌমিতা খাতুন জানান, ‘তিন বছর যাবত গাংনী পৌরসভায় সহকারী কর আদায়কারী হিসেবে অস্থায়ীভাবে চাকরি করেছি। চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য পৌর মেয়র আশরাফুল ইসলামকে ১৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়। উক্ত পদে চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য ১৯/০৫/২০১৮ইং তারিখে তৎকালীন সময়ে ভারপ্রাপ্ত মেয়র নবীর উদ্দিনের স্বাক্ষরিত একটি নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি। কিন্তু ওই পদে আমাকে নিয়োগ না দিয়ে মেহেরপুরের একটি মেয়েকে নিয়োগ প্রদান করেছেন। চাকরি না পাওয়ায় মেয়রকে দেওয়া ১৫ লাখ টাকা ফেরত চাইলে তিনি আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।’ পলি আরও জানান, মেয়র আশরাফুলের হাতে ৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা প্রদান করার পর তিনি একটি মামলায় জেলহাজতে যান। পরে জেলগেটে দেখা করার পর তিনি তাঁর স্ত্রী জেলা পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য শাহানা ইসলাম শান্তনার ব্যাংক হিসেবে ৮ লাখ ১০ হাজার টাকা জমা দেওয়ার কথা বললে, তা জমা দিই।’ এ বিষয়ে পৌর মেয়র আশরাফুল ইসলাম জানান, ‘আমি মৌমিতা খাতুন পলিকে চাকরি দেওয়া বলে কোনো টাকা গ্রহণ করিনি। তবে সে অস্থায়ীভাবে সহকারী কর আদায়কারী হিসেবে কিছুদিন পৌরসভায় কাজ করেছিল। পৌরসভার কাছে তার কোনো দেনা-পাওনা নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘পলি যে টাকার বিষয়ে বলতে চাচ্ছে, সেটা হলো তার স্বামী মোমিন শিশিরপাড়া গ্রামে আমার দেড় বিঘা জমি কেনার জন আমাকে প্রায় ৬ লাখ টাকা দিয়েছিল। সে জমি পলির পিতা বর্তমানে চাষাবাদ করছে। পলি আমাকে জানায়, জমি তারা কিনবে না তবে টাকা যেন তার হাতে ফেরত দেওয়া হয়। আমি টাকা নিয়েছি পলির স্বামী মোমিনের নিকট থেকে, তাই মোমিনের হাতে টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এ জন্যই মৌমিতা খাতুন আমার মান ক্ষুণ্ন করার জন্য চেষ্টা করছে।’

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)