লকডাউন এলাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় ও ওষুধের দোকান বাদে সব ধরনের দোকানপাট বন্ধ থাকবে। তবে সরকারি অফিস থাকলে সেটি সীমিত পরিসরে খোলা রাখা যাবে। অন্য সকল কিছুই বন্ধ রাখতে হবে। তবে ওষুধের দোকান ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকানপাট শুধুমাত্র লকডাউনকৃত এলাকায় বিকাল ৫টার পর বন্ধ করতে হবে। অন্য এলাকার দোকাটপাট পূর্বের নিয়মে সন্ধ্যা ৭টা পযর্ন্ত খোলা থাকবে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আক্রান্ত এলাকাগুলো লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। গুচ্ছ পদ্ধতিতে এলাকা বা পাড়া ভিত্তিক এ লকডাউন থাকবে। পুরো ওয়ার্ডকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের স্বাস্থ্য সচেতনতার প্রয়োজন। স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। শুধুমাত্র লকডাউনকৃত এলাকার মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানবে তা হবে না। প্রত্যেকেই মানতে হবে। বাজারগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে বন্ধ করে দেওয়া হবে।’
