সন্তানের দুটি কিডনি নষ্ট, মা দিতে চায় একটি কিডনি
দর্শনা অফিস:
রোগ ধনী-গরীব মানে না। দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা সুলতানপুরের হতদরিদ্র পিতা খোরশেদ আলী। কখনো কাঠ কেটে আবার কখনো মাটি কেটে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সংসারের ঘানি টানছেন। দীর্ঘদিন ধরেই দারিদ্রতার বোঝা মাথায় নিয়ে দুটি কিডনি ড্যামেজ হয়ে যাওয়া ছেলে শিপলুর চিকিৎসা করে আসছিলেন। মাস খানেক ধরে ছেলে শিপলুর অবস্থা গুরুতর। পিতার সামনে সন্তানের ধীর মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে ধার-দেনা করে কয়েকদিন আগেই চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান রাজধানীর শ্যামলীর সিকেডি অ্যান্ড নিউরোলজী হাসপাতালে। ডাক্তারের পরামর্শ, যেহেতু দুটি কিডনি প্রায় ড্যামেজ, সেহেতু একটি কিডনি স্থানান্তর না করলে রোগী বাঁচানো সম্ভব নয়। অর্থ নেই তারপরও সন্তানকে বাঁচাতে হবে। মা আবেগেই বলে ফেলেছেন, ‘আমি একটি কিডনি দেব।’ কিন্তু সবার কিডনিতো সবার স্থানান্তর নাও করা যেতে পারে। আবার প্রথম থেকে সন্তানের সঙ্গে সঙ্গে মায়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেন ডাক্তার। তবে সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে কিডনি স্থানান্তরের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত পজিটিভ রিপোর্ট আসায় ডাক্তার পরিবারের সদস্যদের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। কিন্তু দারিদ্রতায় আটকে গেছে। কিডনি স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজন চার লাখ টাকা। বেশ কিছু টাকা জোগাড় করেছে তাঁর পরিবারের সদস্যরা। আবার সমাজের বেশ কিছু মানুষ তাঁদের সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতাও করেছেন। মানবিকতার দৃষ্টিকোন থেকে সবাইকে সাহায্যের হাত বাড়ানো দরকার। যদি সবাই একটু করে সহযোগিতার হাত বাড়ানো যায়, তাহলে হয়ত মায়ের একটি কিডনিতে সন্তানের জীবনটা বেঁচে যেতে পারে। সাহায্যের জন্য যোগাযোগ করুন- ০১৯৯১-৬২৪০৩২/০১৯২৫-৯২৪৪৫৮। ডাচ্ বাংলা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ৭০১৭১৭৫১৯১৯৮৫৫৫।
