ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবা-ফেনসিডিলের বিকল্প ট্যাপেন্টাডল বড়ি, চোরাই মোবাইল ফোনসহ পাঁচজনকে আটক করেছে শহর ফাঁড়ির পুলিশ। গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে শহরের রেলবাজার এলাকার সুরুজ ফার্মেসিতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- সুরুজ ফার্মেসির মালিক চুয়াডাঙ্গা বড় মসজিদ পাড়ার মৃত আলতাফ হোসেনের ছেলে মনির হোসেন (৫০), সাতগাড়ী এলাকার রবিউল হকের ছেলে আকাশ (২৫), জাফরপুরের ছানোয়ার হোসেনের ছেলে স্বপন (১৮), মোমিনপুরের আজিবার রহমানের ছেলে মেহেদী হাসান (২৫) ও একই এলাকার লালুর ছেলে মনিরুল ইসলাম (২০)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পুলিশ জানতে পারে শহরের রেলবাজার এলাকার সুরুজ ফার্মেসিতে ইয়াবা-ফেনসিডিলের বিকল্প ট্যাপেন্টাডল বড়ি চিকিৎসাপত্র ছাড়া দেদারছে বিক্রি হচ্ছে। ওই সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের নির্দেশে সদর থানা পুলিশের সহায়তায় শহর ফাঁড়ি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ওহিদুল ইসলামসহ পুলিশের একটি চৌকস দল সুরুজ ফার্মেসিতে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে ফার্মেসির মালিক মনির হোসেনসহ মোট পাঁচজনকে আটক করা হয়। এ সময় আটককৃতদের কাছ থেকে ৭১টি ট্যাপেন্টাডল বড়ি ও ৪২টি চোরাই মোবাইল উদ্ধার করে পুলিশ। আটককৃতরা বেশ কিছু অপরাধের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে সদর থানার পুলিশ। অভিযানটির নেতৃত্ব দেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আটককৃতদের নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করাসহ চোরাই মোবাইলের কারবারি হিসেবে দুটি পৃথক মামলা করেছে।
ট্যাপেন্টাডল বড়ি ও চোরাই মোবাইল ফোনসহ পাঁচজনকে আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ বলেন, ইয়াবা ও ফেনসিডেলর বিকল্প ট্যাপেন্টাডল বড়ি গত ৯ জুন নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশে সরকার। এরপরেও ওই ট্যাবলেটটি দিয়ে ইয়াবা ও কাঁশির সিরাপের সঙ্গে মিশিয়ে ফেনসিডিলের মতো করে নেশা করছিল চুয়াডাঙ্গার যুব সমাজ। রেল বাজারের সুরুজ ফার্মেসির বিরুদ্ধে ওই ট্যাবলেটবি বিক্রির বিষয়ে তথ্য পেয়েই অভিযানে নেমে তাদেরকে হাতে নাতে আটক করা হয়।
