ছবির ক্যাপশন:
আব্দুর রহিম, মহেশপুর:
ঝিনাইদহের মহেশপুরে ড্রাগন ফল চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। এতে করে একদিকে যেমন মানুষের পুষ্টির চাহিদা মিটছে, ঠিক অন্যদিকে কৃষকেরা এই ফল বিক্রি করে অধিক মুনাফা অর্জন করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হচ্ছেন। যার কারণে দিন দিন এই চাষে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।
মহেশপুর উপজেলার খালিশপুর বাজারের বিজিবি ব্যাটালিয়নের পাশে শাহী স্যানিটারির ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন জানান, ‘তিনি ইউটিউবে এই ফলের পুষ্টিগুণ দেখে প্রথমে সখের বশে তাঁর মামা মশিয়ার রহমান মাস্টারের সঙ্গে পরামর্শ করে ২০ শতাংশ জমির জন্য চারা ক্রয় করেন এবং এই চাষ শুরু করেন। তিনি জানান, চারা লাগানোর দেড় বছরের মাথায় তিনি ফল পাওয়া শুরু করেছেন। প্রথমে এই জমিতে তার ৩ লক্ষ টাকা খরচ হয় এবং প্রথম বছরেই তিনি প্রায় ৩ লক্ষ টাকার মত ফলও বিক্রি করেন। এবার তার বাগান থেকে ২ লক্ষ টাকার মত ফল বিক্রি হয়ে গেছে। এখনও যে ফল আছে তাতে আরও দেড় লক্ষ টাকার মত বিক্রি হতে পারে। এই ফল চাষ লাভজনক হওয়ায় তিনি এবার আরও ৭ বিঘা জমিতে চাষ শুরু করেছেন।’
মহেশপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান আলী জানান, ‘মহেশপুর উপজেলা ড্রাগন চাষের উপযুক্ত পরিবেশ আছে। এই ফল এপ্রিলের শেষ থেকে শুরু হয়ে ৮ মাস পর্যন্ত হয়ে থাকে। গুটি হওয়ার ৪০দিনের মধ্যে এই ফল বিক্রি করা যায়। বর্তমানে মহেশপুর উপজেলায় ১০৫বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ হচ্ছে। আমি প্রতিনিয়ত কৃষকদের এই চাষে উদ্বুদ্ধ করছি।’
মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর চিকিৎসক ডা. আকবার নেওয়াজ জানান, ‘ড্রাগন ফল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। কারণ এই ফলে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। যা ক্যানসার প্রতিরোধসহ মানুষের শরীরের দৈনন্দিন ক্ষয় রোধ করে।’
