ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গা অফিস:
আলমডাঙ্গা ডাউকি ইউনিয়নের ইউপি মেম্বার ও গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেওবয়র কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, ডাউকি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার রাজিয়া খাতুন মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নাম করে ছত্রপাড়া গ্রামের বাবলুর স্ত্রী পারভীনা খাতুন, মানোয়ার হোসেনের স্ত্রী মরিয়ম খাতুন, শামসুল ইসলামের স্ত্রী সজনি খাতুনসহ বেশ কিছু মহিলার নিকট থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। তবে অনেকেই অভিযুক্ত মহিলা মেম্বারের লোকদের হাতে নিগৃহীত হওয়ার ভয়ে মুখ খুলছেন না। পারভীনা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে মহিলা মেম্বার তাঁর কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছেন। এ ছাড়াও গ্রামের অনেকেই বলছেন পারভীনা খাতুন ও সজনির নিকট থেকে টাকা নিয়ে একজনের কার্ড বানিয়ে দিয়েছেন। সেই কার্ড সজনি খাতুনের নামে। আর মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে পারভীনা খাতুনের। এই ন্যাক্কারজনক প্রতারণা করেছেন ওই মহিলা মেম্বার।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য রাজিয়া খাতুন জানান, তিনি পারভীনা খাতুনের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নেননি। নিয়েছেন ৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে মহিলা মেম্বারের পাশাপাশি একই ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ জহুরুল কাজী ছত্রপাড়ার আবু মুছার স্ত্রী শাপলা খাতুন, লাল্টুর স্ত্রী সালমা খাতুনসহ বেশ কয়েকজনার কাছ থেকে ৭ হাজার টাকা করে নিয়েছেন মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নাম করে। শাপলা খাতুন ও সালমা খাতুন জানান, দুই বছর হলো টাকা নিয়েছেন। অথচ আজও কার্ড করে দেননি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ জহুরুল কাজী জানান, তিনি চেয়ারম্যানের কথা মতো টাকা নিয়েছেন। ইতিমধ্যে একজনের টাকা ফেরত দিয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা জানান, মাতৃত্বকালীন ভাতা সরকার প্রদান করছে মহিলাদের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর অন্তর্ভুক্ত করতে। সেই ভাতার কার্ড দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়া রীতিমতো অপরাধ। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান।
