ছবির ক্যাপশন:
আহম্মদ সগীর:
জীবননগর উপজেলার উথলী ইউনিয়নের কৃষি সমৃদ্ধ অন্যতম একটি গ্রাম মৃগমারী। এই গ্রামের একটি বৃহৎ অংশের বসবাস উথলী-মোল্লাবাড়ী টু আন্দুলবাড়ীয়া সড়কের ডান পাশে। আরেকটি অংশ রয়েছে রাস্তার বা পাশে বিলের সঙ্গে। স্থানীয়ভাবে জায়গাটিকে সরকারপাড়া বলা হয়। বর্তমানে সেখানে বসবাস করছে ৫০টির মতো পরিবার। আর তাদের চলাচলের জন্য রয়েছে একটি মাত্র রাস্তা। এক কিলোমিটারের রাস্তাটি গ্রামের শেষ প্রান্ত থেকে উথলী-মোল্লাবাড়ী টু আন্দুলবাড়ীয়ার পিচ রাস্তায় এসে মিলিত হয়েছে। টেকসই সংস্কার না হওয়ায় বর্তমানে বেহাল অবস্থা রাস্তাটির। সড়কটির বিভিন্ন স্থানে পাড় ভেঙে আর ইট উঠে গিয়ে বর্তমানে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। বেশ কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে রাস্তা ভেঙে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ওই গ্রামের বাসিন্দাদের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
জানা গেছে, উথলী ইউনিয়নের মৃগমারী গ্রামের সরকারপাড়ায় অন্তত তিন শতাধিক মানুষের বসবাস। এসব বাসিন্দাদের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা এই রাস্তা। সড়কটির গুরুত্ব বিবেচনায় বিভিন্ন সময় সড়কটিতে ইটের হেরিং বসানো হয়। কিন্তু বড়সড় কোনো বাজেট না আসায় আর সংস্কার হয়নি। ফলে সড়কটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কের বেশির ভাগ জায়গার ইট উঠে ও ভেঙে চুর্ণ-বিচুর্ণ হয়ে গেছে। অনেক স্থানের সড়কের পাশ ভেঙে পুকুর, নালা ও বিলের সঙ্গে মিশে গেছে। আর পুরো সড়কের মাঝখানে উঁচু হয়ে ইট নড়বড় করছে। যে কারণে ওই এলাকার বাসিন্দাদের চলাচলে চরম ভোগান্তি হচ্ছে।
এলাকাবাসী জানায়, অধিকাংশ জায়গার অর্ধেক সড়ক পর্যন্ত ভেঙে গেছে। ইটগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে ও উঁচু-নিচু হয়ে পড়ে আছে। কোনোভাবেই যানবাহনে নিরাপদে চলাচলের উপযোগী নেই। আর সামান্য বৃষ্টিতে সড়কটি আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। পুরো সড়ক এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।
তবে যতটুকু সম্ভব এই রাস্তাটির উন্নয়ন ও সংষ্কার কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়ে উথলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিগত কয়েক বছরে বাজেট প্রাপ্তি সাপেক্ষে বেশ কয়েকবার রাস্তাটি সংস্কার করা হয়েছে। এখনও আমরা কোনো বাজেট পেলে সেখানে কাজে লাগাই। কিছুদিন আগে বৃষ্টিতে রাস্তাটির একটি বড় অংশ ভেঙে গর্ত সৃষ্টি হলে সেটি মেরামতের ব্যবস্থা নিয়েছি। তবে খুব বেশিদিন এই দুর্ভোগ থাকবে না। উপযুক্ত বাজেট পেলে রাস্তাটির আরও উন্নয়ন করা হবে।
