অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও নেই চালক..!

আপলোড তারিখঃ 2020-06-12 ইং
অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও নেই চালক..! ছবির ক্যাপশন:
জাহিদ বাবু/মিথুন মাহমুদ: জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও চালক সংকট দেখা দিয়েছে। এতে সাধারণ রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাতা-কলমে দুইজন চালক থাকলেও বর্তমানে চালক শূন্য রয়েছে। জানা যায়, জীবননগর উপজেলায় মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সার্বিক খোঁজখবর নেওয়া ও তাঁদের চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি অসহায় মানুষের জরুরিভাবে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি অ্যাম্বুলেন্স আছে। কিন্তু গত দুদিন যাবৎ চালক না থাকায় করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার প্রয়োজনে যেকোনো সময় স্থানান্তরে ঝামেলাসহ নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে। তা ছাড়া গত সোমবার জীবননগর পৌরসভার অফিস সহকারীর শরীরে করোনা শনাক্ত হওয়ার ফলে পৌরসভার সব জনপ্রতিনিধি ও পৌরসভায় কর্মরত ২১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করার কথা থাকলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে কিট না থাকায় শুধুমাত্র পৌরসভায় কর্মরত ২১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং বাকি কাউন্সিলরের বুধবার সকাল ৯টার সময় জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরীক্ষার জন্য সময় দেওয়া হয়। কিন্তু জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চালক দানেজ না থাকায় চুয়াডাঙ্গা থেকে কিট আসতে বিলম্ব হয়। কাউন্সিলররা বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বসে থেকেও কিট না আসায় পরীক্ষা না করেই ফিরে যায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কাউন্সিলর অভিযোগ করে বলেন, ‘হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স আছে, কিন্তু চালক নেই। চালক নাকি সিভিল সার্জন নিয়ে গেছে। এটা আবার কি ধরণের কাজ। জীবননগর হাসপাতাল একটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে সব সময় অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন। সেখানে যদি শুধু গাড়ি থাকে, কিন্তু চালক না থাকে, তাহলে কীভাবে চলবে। আর আমাদের যে সময় দিয়েছে, আমরা সে সময় চলে এসেছি। কিন্তু চুয়াডাঙ্গা থেকে পরীক্ষার জন্য যে কিট দেওয়ার কথা, সেটি পাঠায়নি। দীর্ঘ সময় বসে থেকে আমাদের চলে আসতে হয়। হাসপাতালে কি আর কোনো চালক ছিল না, যে জীবননগর থেকে দুইজন চালক সিভিল সার্জন তাঁর কাজে ব্যবহার করবেন। তা হলে এখানে যদি কোনো জরুরিভাবে রোগীদের অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন হয়, তাহলে তাঁরা কী করবে।’ তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার গাড়ির জন্য আমিনুর নামের একজন চালক থাকলেও তিনি গত তিন মাস যাবৎ চুয়াডাঙ্গা সদরে রয়েছেন এবং জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালক দ্বানেজ গত দুই দিন যাবৎ চুয়াডাঙ্গা সদরে রয়েছেন। ফলে হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স পড়ে থাকলেও চালক নেই। এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জুলিয়াট পারউইন বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইজন চালক ছিল। কিন্তু গত মার্চ মাস থেকে আমার গাড়ির চালক আমিনুর চুয়াডাঙ্গাতে রয়েছেন এবং গত দুই দিন যাবৎ অ্যাম্বুলেন্স চালক দানেজও চুয়াডাঙ্গাতে রয়েছে। যার ফলে একটু সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তবে বিষয়টি আমি সিভিল সার্জনকে বলেছি। আশা করি খুব শিগগিরই এর সমাধান হয়ে যাবে।’ সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান বলেন, জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালক সংকট নয়, তাঁদেরকে বিশেষ প্রয়োজনে চুয়াডাঙ্গাতে আনা হয়েছে। সাময়িকভাবে একটু সমস্যা হয়েছে, তা দ্রুত সমাধান করা হবে।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)