ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় উদ্ধার হওয়া মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার জন্য বরাদ্দকৃত কাবিখার ১২৬৬ বস্তা (৩৭ হাজার ৯৮০ কেজি) সরকারি চাল জব্দের ঘটনায় তদন্ত কমিটি রিপোর্ট জমা দেবে আগামী রোববার। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এ ঘটনায় মোট ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে তদন্ত কমিটি। আজ শুক্রবার আরও একজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করার কথা আছে। জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি অভিযুক্তদের নিয়ে গত বুধবার চারজন এবং গতকাল বৃহস্পতিবার নয়জনের শুনানি করেছে। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, তদন্ত কমিটি তদন্ত করছে। তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর ব্যবস্থ নেব। তদন্ত কমিটির প্রধান চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা পারভীন বলেন, অভিযুক্তদের নিয়ে গত দুই দিন মোট ১৩ জনের শুনানি করা হয়েছে। আজ একজনের শুনানি করা হবে। আগামী রোববার জেলাা প্রশাসকের নিকট রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত রোববার গভীর রাতে চুয়াডাঙ্গা শহরের সাতগাড়ী এলাকার দুটি গোডাউনে সরকারি চাল ট্রাকযোগে আনলোড করা হয়। এর মধ্যে একটি গোডাউনে ৬০০ বস্তা ও অপরটিতে ৬৬৬ বস্তা মজুদ করে রাখা হয়। খাদ্য অধিদপ্তরের প্রতিটি ৩০ কেজি ওজনের চালের বস্তার বাহ্যিক অংশে লেখা রয়েছে ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ।’ সোমবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে জেলা প্রশাসন ও খাদ্য অধিদপ্তরের একটি টিম গোডাউন দুটিতে অভিযান চালায়। এ সময় জেলা প্রশাসন ও খাদ্য অধিদপ্তরের যৌথ টিমটি সরকারি ১২৬৬ বস্তা চাল জব্দ করেন। একই সঙ্গে দুটি গোডাউন সিলগালা করে। তাৎক্ষণিক তদন্তে বেরিয়ে আসে, এই চাল মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার জন্য বরাদ্দকৃত কাবিখার ১২৬৬ বস্তা বা ৩৭ হাজার ৯৮০ কেজি। এ ঘটনা অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মনিরা পারভীনকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। এই কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
