ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদা প্রতিবেদক:
সরকারি নির্দেশ অমান্য করে দামুড়হুদা উপজেলার ডুগডুগিতে বৃহত্তম গরুর হাট বসানোর চেষ্টা করে কিছু গরু ব্যবসায়ী। এতে করে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাটে আসতে থাকে গরু। গরুর হাট যাতে বসতে না পারে, তার জন্য ডুগডুগি এলাকার জনসাধারণ একত্রিত হয়ে গরু ব্যবসায়ী ও গরু চাষিদের গরু নিয়ে ফিরে যেতে যেতে বলে। এলাকাবাসীর তোপের মুখে ব্যবসায়ীরা গরু নিয়ে হাটে দাঁড়াতে না পেরে ফিরে যান গরুর মালিক ও ব্যবসায়ীরা। গতকাল সোমবার সকাল সাতটার দিকে জনগণনের বাঁধার মুখে পড়ে গরুর হাট বন্ধ হয়ে যায়।
ডুগডুগি গ্রামের নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার শিয়ালমারি হাট বসেছে। সেই সুবাধে সোমবার ডুগডুগি হাট বসার জন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু-ছাগল আসতে থাকে। কিন্ত করোনাভাইরাস ছড়ানোর হাত থেকে রক্ষা পেতে আমরা এখন গরুর হাট বসতে দিব না। তাই সবাইকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ইনকাম দরকার নেই, আমরা বাঁচতে চাই।’ ডুগডুগি হাট মালিক সোহরাব হোসেন বলেন, ‘সরকারি কোনো নির্দেশনা না থাকায় আমরা হাট বসাচ্ছি না। কিন্তু শুনেছি কিছু কিছু গরু ব্যবসায়ী হাটে এসেছেন।’
এ বিষয়ে হাউলী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দীন জানান, ‘করোনাভাইরাসের কারণে ডিসি মহোদয় প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে হাট বসা বন্ধ রেখেছেন। হাট বসার নির্দেশনা আমরা এখনো পাইনি।’ ইউএনও অফিস সূত্রে জানা যায়, তারা এখন পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা পায়নি।
এদিকে, স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে দামুড়হুদা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ডা. আবু হেনা মোহাম্মদ জামাল শুভ জানান, এই পরিস্থিতিতে কোনোভাবেই হাট বসানো ঠিক হবে না। কারণ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরুত্ব বজায় রাখতে পারবে না। তখন এই এলাকার মানুষ হুমকির মুখে পড়ে যাবে। যদি একটি করোনা রোগী এ হাটে আসে, তাহলে হাটের সব মানুষ করোনায় অক্রান্ত হয়ে যাবে। তাই প্রসাশনের উচিত এখন গরুর হাট না দেওয়া।’
