মাস্ক ছাড়া মার্কেটে প্রবেশ নিষেধ

আপলোড তারিখঃ 2020-06-03 ইং
মাস্ক ছাড়া মার্কেটে প্রবেশ নিষেধ ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনা করছেন ব্যবসায়ীরা খ. হামিদুল আজম/সোহেল তানভীর: মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে টানা ৬৬ দিন বন্ধ থাকার পর ৩১ মে থেকে খুলতে শুরু করেছে দোকানপাট। তবে স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন দোকানের মালিকেরা। এ জন্য ক্রেতাদের মাস্ক ছাড়া দেখলেই মার্কেটে ঢুকতে বাধা দিচ্ছেন তাঁরা। গতকাল মঙ্গলবার আলমডাঙ্গার বিভিন্ন মার্কেটে ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরকারি নিয়মনীতি মেনেই বিকেল চারটা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আলমডাঙ্গা গার্মেন্টস দোকান মালিক সভাপতি সৈয়দ সাজেদুল হক মনি। এদিকে, করোনা প্রকোপকালের এ সময় মার্কেটগুলোর অধিকাংশ দোকান বন্ধ থাকলেও কিছু দোকানে সবাইকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নের কাজে ব্যস্ত দেখা যায়। আলমডাঙ্গার গার্মেন্টস ও কাপড় ব্যবসায়ীরা জানান, ‘চরম সংকটের মধ্যে আমাদের দিন যাচ্ছে। এ মুহূর্তে সরকার যে ঘোষণা দিয়েছে, তা কিছুটা হলেও আমাদের সংকট কাটাতে সহায়তা করবে। তাই এই বন্ধের মধ্যেও আমরা দোকান পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করছি, যাতে নির্ধারিত সময়ে সরকারের বিধিনিষেধ মেনে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালু করতে পারি। তাই ব্যবসা চালু রাখার স্বার্থে ও নিজেদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই নিয়ম মানতে অনুরোধ করা হচ্ছে ক্রেতাদের। এ ছাড়াও, যারা মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করছে না, তাদের দোকানে প্রবেশ ও মালামাল বিক্রয় থেকে বিরত থাকা হচ্ছে।’ এদিকে, আলমডাঙ্গার উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ের দোকানগুলোতে করোনা প্রকোপকালে নিয়মনীতি মানা হচ্ছে না। মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ দূরত্ব বজায় রেখে ব্যবসা পরিচালনার কথা থাকলেও ইউনিয়ন পর্যায়ের দোকানগুলোতে তা না মেনে ব্যবসা পরিচালনা করছেন ব্যবসায়ীরা। ইউনিয়নের ফাঁড়ি পুলিশের প্রচেষ্টায় দূরত্ব বজায়ের চেষ্টা চালালে দোকান মালিকেরা পরেই আবারও দূরত্ব না মেনে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। আলমডাঙ্গা উপজেলার সচেতন নাগরিকেরা দাবি করে বলেন, সরকার শপিংমল খোলা রাখার অনুমতি দিলেও খুব বেশি প্রয়োজন না হলে কেনাকাটা করতে যাওয়া যাবে না। আর যদি যেতেই হয়, তাহলে করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে হবে। অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। যেকোনো ব্যক্তি বস্তুর স্পর্শ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হবে। দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। তাঁরা বলেন, মার্কেটে জনসমাগমের ঘনত্ব বেশি হওয়ায় করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিও অনেক বেশি। তাই অতিপ্রয়োজন না হলে কারো কেনাকাটা করতে যাওয়া ঠিক হবে না। আলমডাঙ্গা গার্মেন্টস মালিক সমিতির সভাপতি সৈয়দ সাজেদুল হক মনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে আমরা সরকারি দিকনির্দেশনা মেনে দোকান পরিচালনা করছি। প্রতিটি দোকানের সামনে সাবান পানি, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ দূরত্ব বজায় রেখে মালামাল বিক্রয় করছি। যদি কোনো ক্রেতা মাস্ক অথবা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা না নিয়ে মালামাল কিনতে আসছে, তাদের নিকট মালামাল বিক্রয় করা হচ্ছে না।’ আলমডাঙ্গার বৃহত্তম কাপড় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম রহমান সিঞ্জুল জানান, ‘করোনাভাইরাসের কারণে গত কয়েক মাস কাপড় ব্যবসায় ব্যাপক মন্দার মধ্যে দিয়ে গেছে। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী লকডাউনের কারণে কাপড় ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মূখীনও হয়েছেন। গত পহেলা বৈশাখ ও ঈদুল ফিতর উদ্যাপন হলেও কোনো দোকান মালিকেরাই ব্যবসা করতে পারেননি। সরকারি নিয়মের মাধ্যমে আমরা সব ব্যবস্থা গ্রহণ করে ব্যবসা পরিচালনা করছি। কেউ মাস্ক না পরে দোকানে প্রবেশ করলে তাদের নিকট মালামাল বিক্রয় করা হচ্ছে না।’

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)