ছবির ক্যাপশন:
সমীকরণ প্রতিবেদন:
সব ক্ষেত্রেই পুলিশের অবদান অপরিসীম, তা আবারও প্রমান করল চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ। যেকোনো বিপদগ্রস্ত মানুষকে সাহায্য করতে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গঠন করা হয়েছে ‘উইমেন সাপোর্ট সেন্টার’। এর মাধ্যমে মানুষকে সেবা প্রদান করে নজির সৃষ্টি করছেন পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম।
গতকাল মঙ্গলবার জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, কোর্ট পাড়ার মৃত নজরুল ইসলামের মেয়ে মুমুর (২৮) সাথে দামুড়হুদা দশমীপাড়ার ওহাব আলীর ছেলে ফারুক হোসেন (৩২) এর সাথে ইসলামী শরিয়া মোতাবেক বিবাহ হয়। তাদের সংসার জীবনে মো: মেহেরাব (৯) নামের ফুটফুটে ০১ টি ছেলে জন্মগ্রহন করে। সংসার জীবন ১০ বছর অতিবাহিত হওয়ার হলেও গত ০৮ বছর আগে থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দেয়। সংসারে চলমান বিরোধ এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে তাদের সর্ম্পক ডিভোর্সের দিকে মোড় নেয়। মুমু তার পিতার বাড়ীতে অবস্থান করাকালে ডিভোর্স যখন চুড়ান্ত পর্যায়ে তখন মুমু খাতুন (২৮) তার সন্তানের ভবিষৎ জীবন এর বিষয় অনুধাবন করে পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা মহোদয় উক্ত অভিযোগটি তার কার্যালয়ে অবস্থিত এবং নিজে উদ্বোধনকৃত `উইমেন সাপোর্ট সেন্টার` এ কর্মরত নারী এএসআই (নিরস্ত্র)/বিভা রানী প্রামানিক’কে দিলে তিনি উভয় পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম এর প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় ফারুক হোসেন এবং মুমু খাতুন দম্পত্তি পুনরায় সংসার করতে সম্মত হয়। ফলে উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের কল্যাণে তাদের পুত্র ফিরে পেল তাদের বাবা-মাকে এবং তারা ফিরে পেল একটি সুখের সংসার।
