ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গায় কেঁচো খুড়তে সাপ : ৫০ বস্তার তদন্তকালে আরও ১শ বস্তা চাল উদ্ধার
আলমডাঙ্গা অফিস:
কেঁচো খুড়তে বেরিয়ে এলো সাপ! আলমডাঙ্গা জিকে ক্যানেলের ৫০ বস্তা চালের প্রকৃত মালিক খোঁজার তদন্তকালে উদ্ধার হলো আরও ১ শ বস্তা মেয়াদোত্তীর্ণ চাল। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে অসহায় মানুষ যখন খাদ্যের অভাবে পাচ্ছে না কোনো কুল-কিনারা। ঠিক তখনি কে বা কারা নিজেদের কুকর্ম ঢাকতে ব্যস্ত। তারই ধারাবাহিকতায় গোডাউনের মজুদ রাখা পচা চাল উপায় না পেয়ে ফেলে দিচ্ছেন পানিতে আবার রাখছেন গোডাউনে লুকিয়ে। এমনি ঘটনা ঘটছে অহরহ। গত শনিবার আলমডাঙ্গা জিকে ক্যানেলে ৫০ বস্তা চাল কে বা কারা ফেলে যায়। এ চালের রহস্য উন্মোচনে মাঠে নামে উপজেলা প্রশাসন। এ নিয়ে তদন্ত চালানো হয় শহরের বেশ কিছু গোডাউনে। একপর্যায়ে শহরের অন্নপূর্ণা রাইস মিলে মেলে একই রকম প্রায় ১০০ বস্তা চাল। এ অভিযোগে মিল মালিক অসীম সাহাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডসহ গোডাউন সিলগালা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল রোববার দুপুর ১২টার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. লিটন আলী এ অভিযান পরিচালনা করেন।
এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. লিটন আলী বলেন, ‘গত শনিবার আলমডাঙ্গার কালিদাসপুর ইউনিয়নের মোনাকষা গ্রামের পাশে জিকে ক্যানেলে সরকারি বস্তাভর্তি ৫০ বস্তা পচাঁ চাল কে বা কারা ফেলে যায়। উক্ত ঘটনার সূত্র ধরে চালের প্রকৃত মালিককে খুঁজতে আমরা তদন্তে মাঠে নামি। অবশেষে সন্ধান পাই আলমডাঙ্গা শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকার অন্নপূর্ণা রাইস মিলের মালিক অসীম সাহার দুটি গোডাউন সার্চ করা হয়। এর একটি গোডাউনে জিকে ক্যানেলে ফেলে রাখা চালের সাদৃশ্য আরও প্রায় ১ শ বস্তা মেয়াদোত্তীর্ণ চাল পাওয়া যায়। এ ঘটনায় অসীম সাহার বিরুদ্ধে অবৈধ মজুদ রাখার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে নগদ ৫ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। তবে অসীম সাহার বিরুদ্ধে আরও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।’ তিনি আরও জানান, গত শনিবার রাতে জিকে ক্যানেলে পড়ে থাকা ৫০ বস্তা চালের প্রকৃত মালিক খোজাঁর জন্য আলমডাঙ্গা থানা-পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার আলমডাঙ্গার কালিদাসপুর ইউনিয়নের মোনাকষা গ্রামের পাশে জিকে ক্যানেলে সরকারি বস্তাভর্তি ৫০ বস্তা চাল কে বা কারা ফেলে রেখে যায়। ওই দিনই সন্ধ্যায় আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার ওসি ও ওসিএলএসডি ফুডসহ বিভিন্ন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সরকারি বস্তাভর্তি চাল নষ্ট করে ফেলে দেওয়ার ঘটনা তদন্তে মাঠে নামে প্রশাসন। এর সূত্র ধরে এক শ বস্তা পঁচা চালসহ গোডাউন সিলগালা করা হয়।
এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. লিটন আলী বলেন, ‘গত শনিবার আলমডাঙ্গার কালিদাসপুর ইউনিয়নের মোনাকষা গ্রামের পাশে জিকে ক্যানেলে সরকারি বস্তাভর্তি ৫০ বস্তা পচাঁ চাল কে বা কারা ফেলে যায়। উক্ত ঘটনার সূত্র ধরে চালের প্রকৃত মালিককে খুঁজতে আমরা তদন্তে মাঠে নামি। অবশেষে সন্ধান পাই আলমডাঙ্গা শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকার অন্নপূর্ণা রাইস মিলের মালিক অসীম সাহার দুটি গোডাউন সার্চ করা হয়। এর একটি গোডাউনে জিকে ক্যানেলে ফেলে রাখা চালের সাদৃশ্য আরও প্রায় ১ শ বস্তা মেয়াদোত্তীর্ণ চাল পাওয়া যায়। এ ঘটনায় অসীম সাহার বিরুদ্ধে অবৈধ মজুদ রাখার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে নগদ ৫ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। তবে অসীম সাহার বিরুদ্ধে আরও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।’ তিনি আরও জানান, গত শনিবার রাতে জিকে ক্যানেলে পড়ে থাকা ৫০ বস্তা চালের প্রকৃত মালিক খোজাঁর জন্য আলমডাঙ্গা থানা-পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার আলমডাঙ্গার কালিদাসপুর ইউনিয়নের মোনাকষা গ্রামের পাশে জিকে ক্যানেলে সরকারি বস্তাভর্তি ৫০ বস্তা চাল কে বা কারা ফেলে রেখে যায়। ওই দিনই সন্ধ্যায় আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার ওসি ও ওসিএলএসডি ফুডসহ বিভিন্ন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সরকারি বস্তাভর্তি চাল নষ্ট করে ফেলে দেওয়ার ঘটনা তদন্তে মাঠে নামে প্রশাসন। এর সূত্র ধরে এক শ বস্তা পঁচা চালসহ গোডাউন সিলগালা করা হয়।
