ছবির ক্যাপশন:
প্রতিবেদক, দামুড়হুদা:
দামুড়হুদা মোক্তারপুর ত্রাণের চাল বিতরণের সময় ৮ নম্বর ওয়ার্ড়ের মেম্বার আশাদুলের বিরুদ্ধে দুস্থ শফিকুলকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার বেলা ১১টার দিকে মোক্তারপুর গ্রামে মোল্লা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শফিকুল অভিযোগ করে বলেন, দামুড়হুদা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আসাদুল ইসলাম ত্রাণের চাল বিতরণ করছিলেন। এ সময় মোক্তারপুর গ্রামের মুনছুর আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (তালিকায় নাম না থাকা অবস্থায়) ত্রাণের চাল আনতে যান। মেম্বার চাল না দিলে তিনি আরও অনুরোধ করেন চাল দেওয়ার জন্য। এ সময় মেম্বার শফিকুলকে চড়-থাপ্পর মারেন। খবর পেয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার এসআই রাম প্রসাদ ঘটনাস্থানে এসে সাময়িক চাল বিতরণ বন্ধ করে দেন। পরে দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেকের নির্দেশে শফিকুলকে থানায় নিয়ে এসে কিছু খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়।
দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরিফুল আলম জানান, মোক্তারপুর গ্রামে আশাদুল মেম্বার ত্রাণের চাল বিতারণ করছিলেন, এমন সময় শফিকুল জোর করে ত্রাণের চাল নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় তাঁর কাছ থেকে চালের বস্তা কেড়ে নেন মেম্বার। এখানে কোনো মারধরের ঘটনা ঘটেনি।
ট্যাগ অফিসার আব্দুল মতিন জানান, ‘মোক্তারপুর চাল বিতরণের সময় তালিকায় নাম না থাকলেও শফিকুল জোর করে চাল নিয়ে যাচ্ছিল। আমার প্রতিনিধি এমন খবর আমাকে জানায়। আমি খোঁজ নিয়ে দেখি ২৮ জনের চাল ওখানে বরাদ্দ ছিল। তার মধ্যে ১০ জনের চাল বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। পরে চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলাপ করে চাল বিতারণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ইউএনও স্যারের সঙ্গে আলাপ করে বাকি চাল বিতরণ করা হবে।
এদিকে, ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক টোকন জানান, শফিকুল খুব গরীব মানুষ। তাঁর কাছ থেকে বারবার আইডি কার্ড নিয়ে আসেন আসাদুল মেম্বার। তাঁর নাম বাদ দিয়ে মেম্বারের নিকটতম লোকের নাম দিয়ে চাল বিতরণ করে। শফিকুলকে চাল দেওয়া হয় না। গতকাল শনিবার শফিকুল মেম্বারের কাছে চাল আনতে গেলে চাল না দিয়ে চড়-থাপ্পর দিয়ে তাড়িয়ে দেন।
