ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় স্বল্প পরিশরে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস পালিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে সিভিল সার্জন অফিস থেকে শারীরিক দূরত্ব মেনে একটি র্যালি বের হয়। র্যালিটি চুয়াডাঙ্গা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পূর্বের স্থানে এসে শেষ হয়। এরপর চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘থ্যালাসেমিয়া রোগীর জন্য এক নতুন যুগের সূচনা; সাশ্রয়ীমূল্যে আধুনিক চিকিৎসাসেবা সুগম করার বৈশিক প্রচেষ্টার এই সময়।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. এ এম এম মারুফ হাসান। সভাপতিত্বের বক্ত্যব্যে তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তের রোগ। এই রোগে রক্তর হিমোগ্লোকবিন কমে গিয়ে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। ফলে বারবার রোগীরে রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হয়। থ্যালাসেমিয়া রোগীর প্রধান চিকিৎসা মূলত শরীরে রক্ত দেওয়া বা ব্লাড ট্রান্সফিউশন করা। আক্রান্ত শিশুকে ১ থেকে ২ মাস পরপর রক্ত দিতে হয়। থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুকে ফ্রেশ লোহিত রক্ত কণিকা পরিসঞ্চালন করা উত্তম। কিন্তু অনেক সময়ই রক্ত সংগ্রহ করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। স্বাভাবিক ও সুস্থ মানুষদের ৩ থেকে ৪ মাস পরপর রক্ত দানে উৎসাহিত করার মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া রোগ জনিত শিশুদের অকাল মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. মাহাবুবুর রহামান মিলন, জুনিয়র কার্ডিওলজি কনসালটেন্ট ডা. আবুল হোসেন, আবসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. শামীম কবির, নার্সিং সুপারভাইজার, সিনিয়র স্টাফ নার্সসহ হাসপাতালের স্বাস্থকর্মীরা।
