মেহেরপুরের গাংনীতে দুই চা-বিক্রেতার জেল

আপলোড তারিখঃ 2020-05-07 ইং
মেহেরপুরের গাংনীতে দুই চা-বিক্রেতার জেল ছবির ক্যাপশন:
গাংনী অফিস: মেহেরপুরের গাংনীতে লকডাউন উপেক্ষা করে চা বিক্রির দায়ে দুই চা-বিক্রেতাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (৬ মে) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী হাকিম ও গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলারা রহমান এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। দণ্ডিতরা হচ্ছেন গাংনী উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরের জাকিরুল (৪৫) ও হাসপাতাল বাজারের মনা মিয়া (৫০)। দণ্ডিতদের মেহেরপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী হাকিম ও গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলারা রহমান জানান, বেশ কিছুদিন যাবত দণ্ডিতরা সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে চায়ের দোকান খুলে চা বিক্রি করছিলেন। ঘটনার সময় তাঁরা চা বিক্রি-করাকালীন অভিযান চালিয়ে এদেরকে বিচারের সম্মুখীন করা হয়। আদালতে তাঁরা নিজেদের দোষ স্বীকার করলে তাঁদেরকে কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। এদিকে, এ দিনে মেহেরপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্সসহ নতুন তিনজন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত অন্য দুজন ওমান ফেরত ও অপরজন রাজধানী ঢাকা থেকে এসেছেন। তারা দুজনই নিজ নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। আক্রান্ত ব্যক্তিদের বসবাসের এলাকায় ২০ বাড়ি লকডাউন করা হচ্ছে। আর সিনিয়র স্টাফ নার্সের সংস্পর্ষে সব স্টাফকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এম রিয়াজুল আলম বলেন, ষোলটাকা গ্রামের ৩৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তি ২৯ এপ্রিল ঢাকার মহাম্মদপুর থেকে আর রংমহল গ্রামের বাসিন্দ ৩৯ বছর বয়সী এক ব্যক্তি ২৮ এপ্রিল ওমান থেকে নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। তাদের দু’জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রেখে নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে পরীক্ষায় এ দুইজনের কোভিড-১৯ পজেটিভ হয়েছে। এখন তাঁদের এলাকায় ২০ বাড়িতে লকডাউন করা হয়েছে। মেহেরপুর জেলা সিভিল সার্জন নাসির উদ্দীন জানিয়েছেন, মেহেরপুর জেলায় একজন চিকিৎসক, একজন ব্র্যাকের যক্ষাকর্মী, সিনিয়র স্টাফ নার্সসহ ৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে একজন মৃত্যুবরণ করেছে। তবে উপসর্গের তুলনায় আক্রান্তের অনেক কম। মেহেরপুর জেলায় বুধবার (৬ মে) পর্যন্ত মেহেরপুর জেলায় করোনার রির্পোট পাওয়া গেছে। ৩৮৯টি এরমধ্যে ৭টি পজেটিভ একটি মৃত্যু। বাকি ৩৮৩টি নেগেটিভ রির্পোট এসেছে। জেলা প্রশাসক আতাউল গনি বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে। আমাদের টহল রয়েছে। তারপরেও মানুষ বাইরে আসছে। এক্ষেত্রে আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝে মাঝে জেল-জরিমানা করা হচ্ছে।’

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)