ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক:
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারি নির্দেশনা না মানায় চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৩ জনের কাছ থেকে ১৫ হাজার ৯ শ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। প্রতিদিনের ন্যায় বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) দিনব্যাপী চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলার বিভিন্ন স্থানে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেলার প্রত্যন্ত অ ল থেকে শুরু করে চুয়াডাঙ্গা শহরের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি দোকান, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়ও সকালে চুয়াডাঙ্গা শহরে যেসব চায়ের দোকান ছিল, সেগুলো বন্ধ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বিদেশফেরতদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ, জনসমাবেশ বন্ধ করা, বাজার মনিটরিং এবং সামাজিক দূরুত্ব বজায় রাখার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের নেতৃত্বে দিনব্যাপী সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রশাসন সহযোগিতায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। দিনব্যাপী ৪টি মোবাইল কোর্টে ১৫ জনের কাছ থেকে ১৫ হাজার ৯ শ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৮ জনকে ১০ হাজার ৯ শ টাকা, আলমডাঙ্গা উপজেলায় ৩ জনকে ১ হাজার টাকা, দামুড়হুদা উপজেলায় ২জনকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এদিকে, রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চুয়াডাঙ্গা বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছেন। মোড়কীকরণ বিধি বহির্ভুত কাজ, প্যাকেটের গায়ে মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ এর তারিখ, প্যাকেটজাত করণের তারিখ, উপাদান ইত্যাদি লিপিবদ্ধ করার বাধ্যবাধকতা লংঘন করা ও প্যাকেটের গায়ে মিথ্যা বিজ্ঞাপন দেয়াসহ বিভিন্ন অপরাধে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানটি পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জনাব সজল আহম্মেদ।
