ছবির ক্যাপশন:
ঝিনাইদহে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীসহ নতুন আক্রান্ত ৭
ঝিনাইদহ অফিস:
ঝিনাইদহে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা রোগী। শনিবারে (২৫ এপ্রিল) দুইজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হওয়ার পর রোববার (২৬ এপ্রিল) নতুন করে এক চিকিৎসকসহ আরও সাতজন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ঝিনাইদহ শহরের গীতাঞ্জলী সড়কের এক গৃহবধূ ও পোড়াহাটী ইউনিয়নের এক যুবক, শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিসংখ্যানবিদ, মহেশপুরে একজন স্বাস্থ্যকর্মী, কালীগঞ্জে একজন ডেন্টাল সার্জনসহ দুইজন ও কোটচাঁদপুরে এক ২১ বছরের যুবক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল নয়জন। ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিসের করোনা ইউনিটের মেডিকেল অফিসার ডা. প্রসেনজিৎ বিশ্বাস পার্থ রোববার সকালে গণমাধ্যমকর্মীদের এই তথ্য জানান। এদিকে, সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে করোনার উপসর্গ নিয়ে শৈলকুপার গোলকনগর গ্রামের আব্দুল গফুরের প্রতিবন্ধী ছেলে শিপনের (১৪) মৃত্যু হয়েছে। তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য যশোরে পাঠানো হয়েছে। সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. অপূর্ব কুমার জানান, কিশোরটি ছিল প্রতিবন্ধী। তবে তার শ্বাসকষ্ট ও সর্দি-জ্বর ছিল। ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিসের করোনা ইউনিটের মেডিকেল অফিসার ডা. প্রসেনজিৎ বিশ্বাস পার্থ জানান, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রোববার সকালে ১৪টি নমুনার ফলাফল পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৭টি পজেটিভ এসেছে। তিনি জানান, আক্রন্তদের শারীরিক অবস্থা দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শৈলকুপা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদ আল মামুন জানান, শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিসংখ্যানবিদ আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁর রিপোর্ট সকালে হাতে পেয়েছি। হাসপাতালের বর্হিবিভাগে সেবা আপাতত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ওই পরিসংখ্যানবিদের বাড়ি ঝিনাইদহ শহরের চাকলাপাড়ায় বলে জানা গেছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ হোসেন জানান, শনিবার জেলায় প্রথম ধরা পড়া দুই করোনা রোগীর মধ্যে একজন ছিল ঝিনাইদহ শহরের উপশহরপাড়ার এক নারী। তাঁর অবস্থা ভাল। তিনি বাসায় আছেন। ওই নারীর শরীরের করোনার কোন উপসর্গই নেই। তারপরও তার করোনা রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে।
