ছবির ক্যাপশন:
করোনা মোকাবিলায় তারা দেবী ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম অব্যাহত
সমীকরণ প্রতিবেদক:
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস কোভিড (১৯) মোকাবিলায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন কৃতী ব্যবসায়ী বাবু দিলীপ কুমার আগরওয়ালা। তিনি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দিয়েছেন অনুদান। পাশাপাশি করোনাভাইরাস মোকাবিলায় তিনি ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের প্রত্যেক কর্মীর হাসিমুখে দেওয়া তিন দিনের বেতন পৃথক পৃথক চেকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে প্রদান করেছেন। এ ছাড়া মানুষের সেবা ও কল্যাণে বাংলাদেশে তাঁর মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত তারা দেবী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে দিলীপ কুমার আগরওয়ালার নেতৃত্বে চুয়াডাঙ্গায় বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গাতে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ১০টি হ্যান্ড থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে জনসাধারণের শরীরের তাপমাত্রা মাপার কার্যক্রমও ইতিমধ্যে শুরু করেছে তারা দেবী ফাউন্ডেশন। এ ছাড়া নতুন করে বিনামূল্যে ১৫ হাজার মাস্ক বিতরণ, কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হাত ধোয়ার বেসিন স্থাপন, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও পোস্টারিং ইতিমধ্যে করা হয়েছে। তা ছাড়া চুয়াডাঙ্গাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ৫ হাজার হ্যান্ড গ্লাভস ও ২ হাজার পিপিই সরবরাহ করা হয়েছে।
[caption id=`attachment_040` align=`aligncenter` width=`300`]
?[/caption]
বর্তমানে তারা দেবী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পুলিশ সুপারের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গায় ৫ হাজার অসহায় পরিবার ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ৩ হাজার অসহায় পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, তেল, আলুসহ খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম চলছে এবং অসহায় এবং নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে চেম্বার অব কমার্সের মাধ্যমে ৫ টন চাল বিতরণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন কৃতী ব্যবসায়ী বাবু দিলীপ কুমার আগরওয়ালা। এ ছাড়া তারা দেবী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দীর্ঘ ও স্বল্প মেয়াদী সাহায্যের জন্য আরও ১০ হাজার জনের নামের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে। চুয়াডাঙ্গার পাশাপাশি রংপুরের অতিদরিদ্র পরিবারের মধ্যে বিতরণের জন্য ১৫ টন চাল ও নেত্রকোনার জন্য ৫ টন চাল ক্রয়ের অর্থ প্রদান করা হয়েছে। কুষ্টিয়া হরিনারায়ণপুরের ১ হাজার পরিবারকে নগদ অর্থ প্রদানসহ দেশের ২৬টি জেলায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়েছে। জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ও ঘরে ঘরে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রয়েছে ৩টি ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স।
তারা দেবী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, ‘মানব সেবাই ধর্ম। আমার মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত তারা দেবী ফাউন্ডেশনের ব্রতই হলো মানবসেবা। যেকোনো পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে থাকতে পারাটাই তারা দেবী ফাউন্ডেশন ও আমার সার্থকতা।’ তিনি আরও বলেন, তারা দেবী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শুধু করোনা পরিস্থিতি নয়, দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক ও মানব উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তারা দেবী ফাউন্ডেশনের প্রতিটি কর্মী মানব সেবায় সর্বদা আছে ও থাকবে। তিনি দেশের বিত্তবানদের কাছে অনুরোধ করে বলেন, ‘আসুন আমরা যার যার অবস্থান থেকে মানবিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিই। আসুন আমরা সবাই সৃষ্টিকর্তার কাছে এই পরিস্থিতি কাটিয়ে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রার্থনা করি।’
?[/caption]
বর্তমানে তারা দেবী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পুলিশ সুপারের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গায় ৫ হাজার অসহায় পরিবার ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ৩ হাজার অসহায় পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, তেল, আলুসহ খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম চলছে এবং অসহায় এবং নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে চেম্বার অব কমার্সের মাধ্যমে ৫ টন চাল বিতরণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন কৃতী ব্যবসায়ী বাবু দিলীপ কুমার আগরওয়ালা। এ ছাড়া তারা দেবী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দীর্ঘ ও স্বল্প মেয়াদী সাহায্যের জন্য আরও ১০ হাজার জনের নামের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে। চুয়াডাঙ্গার পাশাপাশি রংপুরের অতিদরিদ্র পরিবারের মধ্যে বিতরণের জন্য ১৫ টন চাল ও নেত্রকোনার জন্য ৫ টন চাল ক্রয়ের অর্থ প্রদান করা হয়েছে। কুষ্টিয়া হরিনারায়ণপুরের ১ হাজার পরিবারকে নগদ অর্থ প্রদানসহ দেশের ২৬টি জেলায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়েছে। জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ও ঘরে ঘরে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রয়েছে ৩টি ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স।
তারা দেবী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, ‘মানব সেবাই ধর্ম। আমার মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত তারা দেবী ফাউন্ডেশনের ব্রতই হলো মানবসেবা। যেকোনো পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে থাকতে পারাটাই তারা দেবী ফাউন্ডেশন ও আমার সার্থকতা।’ তিনি আরও বলেন, তারা দেবী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শুধু করোনা পরিস্থিতি নয়, দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক ও মানব উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তারা দেবী ফাউন্ডেশনের প্রতিটি কর্মী মানব সেবায় সর্বদা আছে ও থাকবে। তিনি দেশের বিত্তবানদের কাছে অনুরোধ করে বলেন, ‘আসুন আমরা যার যার অবস্থান থেকে মানবিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিই। আসুন আমরা সবাই সৃষ্টিকর্তার কাছে এই পরিস্থিতি কাটিয়ে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রার্থনা করি।’
