ছবির ক্যাপশন:
রুদ্র রাসেল:
চুয়াডাঙ্গায় এ পর্যন্ত মোট ১৭৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও (যবিপ্রবির) জিনোম গবেষণাগরে পাঠিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। গতকাল শুক্রবার নতুন ২৯ জনের নমুনার রিপোর্টসহ এ পর্যন্ত মোট ফলাফল এসেছে ১৫৮ জনের। এর মধ্যে পূর্বের ১ জন ও বৃহস্পতিবার ৬ জনের রিপোর্ট পজেটিভ এবং গতকাল শুক্রবার নতুন ২৯ জনেরসহ মোট ১৫১ জনের রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এদিকে, গতকাল নতুন কোনো নমুনা সংগ্রহ করেনি স্বাস্থ্য বিভাগ। গত বৃহস্পতিবারে পাঠানো ২০ জনের ফলাফল পেতে এখনও বাকি রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গায় ১৬ মার্চ করোনা সন্দেহে হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি হয় আলমডাঙ্গার ইতালী প্রবাসী এক যুবক। ওই দিনই (আইইডিসিআর)-এর একজন প্রতিনিধি তাঁর নমুনা সংগ্রহ করে (আইইডিসিআর)-এ পাঠায়। ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার প্রাপ্ত ফলাফলে ওই যুবকের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। ১৫ দিন হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন থাকার পর তাঁর (৩১ মার্চ ) প্রাপ্ত তৃতীয় রিপোর্ট নেগেটিভ আসলে সম্পূর্ণ সুস্থ ঘোষণা করে তাঁকে ছুটি দেওয়া হয়।
এদিকে, এরপর ২১ এপ্রিল পর্যন্ত খুলনা ও যশোরে পাঠানো নমুনায় আর কারো করোনা শনাক্ত হয়নি। তবে ২২ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গার সদর হাসপাতালের চিকিৎসক নার্সসহ ৪১ জনের নমুনা (যবিপ্রবির) জিনোম গবেষণাগারে পাঠায়। ২৩ এপ্রিল উক্ত নমুনার ৩৯ জনের রিপোর্ট আসে। এ রিপোর্টে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের একজন সিনিয়র স্টাফ নার্স, সদর উপজেলার আলুকদিয়ার আলমডাঙ্গার একজন ও আলমডাঙ্গা উপজেলার ৪ জনসহ মোট ৬ জন নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে।
অপর দিকে, ২১ এপ্রিল বেগমপুরে করোনা শনাক্ত বৃদ্ধসহ তাঁর পরিবারের তিনজনের সংগৃহীত নমুনা ২২ এপ্রিল পাঠানো হয়। ২৩ এপ্রিল এই পরিবারের তিনজনেরই রিপোর্টও নেগেটিভ আসে। ২৪ এপ্রিল শুক্রবার পূর্বের না পাওয়া আরও ২৯ জনের রিপোর্র্ট এসে পৌঁছায়। উক্ত রিপোর্টে ২৯ জনের ফলাফলই নেগেটিভ বলে জানিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন অফিস।
চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জেলায় মোট নমুনা সংগ্রহ ১৭৮, মোট ফলাফল ১৫৮, পজেটিভ ৭, নেগেটিভ ১৫১, সুস্থ্য ১, মৃত্যু শূন্য।
