ছবির ক্যাপশন:
ঝিনাইদহ অফিস:
ত্রাণের দাবিতে শৈলকুপায় কয়েক শ কর্মহীন মানুষ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ চত্বরে ঝাউদিয়া আবাসন প্রকল্পের প্রায় ৩ শ মানুষ এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তাঁরা ত্রাণের দাবি নিয়ে উপজেলা পরিষদের সামনে বসেন। তাঁদের ভাষ্যে, এ পর্যন্ত কেউ তাঁদের ত্রাণ-সহায়তা দেননি। প্রথম দিকে ইকু নামের এক যুবক ব্যক্তি উদ্যোগে ত্রাণ দিলেও তা যথেষ্ট ছিল না। কাজ না করায় ঘরের খাবার ফুরিয়ে গেছে। নিরুপায় হয়ে ঝাউদিয়া আবাসনে বসবাসকৃতরা শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস চত্বরে অবস্থান নেন। হতদরিদ্রদের অবস্থানের খবর পেয়ে বেরিয়ে আসেন শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম। তিনি আশ্বাস দেন ত্রাণ-সহায়তা প্রদানের। আশ্বাস পেয়ে তাঁরা আবাসনে ফিরে যান। উল্লেখ্য, শৈলকুপায় প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা ত্রাণ-সহায়তা প্রদান করলেও তার ছিটেফোটা পৌঁছায়নি শৈলকুপা পৌরসভার ঝাউদিয়া আবাসন প্রকল্পে। আবাসনের লোকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই দানের খবর কেবল ফেসবুকজুড়ে। বাস্তবে অতিশয় হতদরিদ্র আর মধ্যবিত্তরা খুব কষ্টে আছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, ‘ইতিমধ্যে আমি পৌরসভাকে ১৪ টন চাল দিয়েছি। সেগুলো বিতরণ করা হয়েছে।’ তবে সরকারি ত্রাণ পাওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন শৈলকুপা পৌরসভার মেয়র কাজী আশরাফুল আজম। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তি উদ্যোগে আমাকে মাত্র ৪ টন চাল দেওয়া হয়। আর বুধবার হতদরিদ্ররা আন্দোলন করার পর দুপুরে বরাদ্দ দিয়েছে ৫ টন। চালের সঙ্গে টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও আমি কোনো টাকা পায়নি।’
