দামুড়হুদা উপজেলায় চলতি মৌসুমে পাটের বাম্পার ফলন পাটের মুল্যে পাওয়ায় কৃষকরাও খুব খুশি

আপলোড তারিখঃ 2016-08-30 ইং
দামুড়হুদা উপজেলায় চলতি মৌসুমে পাটের বাম্পার ফলন পাটের মুল্যে পাওয়ায় কৃষকরাও খুব খুশি ছবির ক্যাপশন:
`vtsetr` আওয়াল হোসেন: দামুড়হুদা উপজেলায় চলতি মৌসুমে চাষীরা পাটের বাম্পার ফলন পেলেও পাট জাগ দেওয়া নিয়ে চরম সমস্যায় পড়েছে।  দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুফি রফিকুজ্জামান জানান, এ বছর পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে খাল বিল ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি অভাবে পাট জাগ দেওয়া নিয়ে এ অঞ্চলের চাষীরা চরম বিপাকে পড়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর দামুড়হুদা উপচেলায় ৩শত হেক্টর জমিতে বেশী পাট চাষ হয়েছে। গত বছর যেখানে এ উপজেলায় ৭ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। সে তুলনায় এ বছর কৃষকরা ১০ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করেছে। এ বছর পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। বিঘা প্রতি ১৩ থেকে ১৫ মন পর্যন্ত পাট উৎপাদন হচ্ছে। এ মৌসুমে সময় মত সেচ এবং বৃষ্টির পানি হওয়ায় পাটের ফলন খুব ভালো হয়েছে। এ বছর পাটের মূল্যে ভালো পাওয়ায় কৃষকরা বেশ খুশি। চন্ডিপুর গ্রামের বাবর আলী মোস্তাক আহম্মেদ, আবেদ আলী ও পরাণপুর গ্রামের বক্তার আলী জানান, আমরা এ বছর পাটের ভালো ফলন পেয়েছি এবং পাটের মূল্যে ১৩০০ থেকে ১৪০০ টাকা হয়েছে। ফলে আমরা পাটের মুল্যে পাওয়ায় খুব খুশি। তবে আগে থেকে মহাজনদের কাছ থেকে পাট চাষের সময় অগ্রিম টাকা নেওয়ায় তাদের কাছে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকায় পাট বিক্রি করতে হচ্ছে। তারপরও পাট চাষ করে লাভবান হয়েছি। তবে পানির অভাবে পাট নিয়ে বিপাকে পড়েছি। পানির অভাবে পাটের রং খুব একটা ভালো হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে পুকুর ভাড়া নিয়ে পাট জাগ দিতে হচ্ছে। এখানে বিঘা প্রতি পাট জাগ দিতে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পুকুর মালিককে দিতে হচ্ছে।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)