ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ১২ জনের রিপোর্ট এসে পৌঁছেছে। বৃহম্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে এ ১২ জনের রিপোর্ট চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিসে এসে পৌঁছায়। রিপোর্টে ১২ জনের কারো শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। চুয়াডাঙ্গায় এ পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকা ৩ জন, হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ৩৮ জনসহ মোট ৪১ জনের নমুনা-সংগ্রহ করে ঢাকা (আইইডিসিআর)-এ পাঠানো হয়। এর মধ্যে পরীক্ষার ফলাফল এসেছে ১৭ জনের। ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার করোনা শনাক্ত হয় ১ জনের । ফলাফল পেতে বাকি আছে ২৪ জনের। চুয়াডাঙ্গায় এক মাত্র করোনা শনাক্ত হওয়া সাব্বির আহম্মেদ ৩১ মার্চ মঙ্গলবার প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন। প্রথম ধাপে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকা করোনা আক্রান্ত সন্দেহে ৩ জন ও হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ২ জনসহ মোট ৫ জনের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)-এ পাঠানো হয়। যাদের মধ্যে গত ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার হাসপাতালের আইসোসলেশনে ভর্তি থাকা সাব্বির আহম্মেদের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর আরও দুইবার সাব্বিরের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা (আইইডিসিআর)-এ পাঠানো হয়। তৃতীয় বার পাঠানো নমুনার ফলাফল ৩১ মার্চ মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিসে এসে পৌঁছায়। সর্বশেষ টেস্টেও সাব্বিরের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি না পাওয়ায় ওই দিনই তাঁকে ছুটি দেওয়া হয়। এরপর ৪ এপ্রিল ৮ জনের, ৫ এপ্রিল ২ জনের, ৬ এপ্রিল ৪ জনের, ৭ এপ্রিল ১০ জনের, ৮ এপ্রিল ৬ জনের এবং ৯ এপ্রিল আরও ৬ জনসহ মোট ৩৬ জনের শরীর থেকে করোনাভাইরাস সন্দেহে নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা আইইডিসিআর-এ পাঠানো হয়। ৪ এপ্রিল থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত পাঠানো ১৪ জনের নমুনার মধ্যে ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ১২ জনের রিপোর্ট এছে পৌঁছেছে। প্রাপ্ত রিপোর্টে এদের ১২ জনের কারো শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়নি। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গায় ১৬ মার্চ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত করোনা সন্দেহে মোট ৪১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা (আইইডিসিআর)-এ পাঠানো হয়। এরমধ্যে কেবলমাত্র সাব্বিরের করোনাভাইরাস পরীক্ষায় ফলাফল পজিটিভ আসে। যিনি গত ৩১ মার্চ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
