ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক:
করোনা আক্রান্ত রোগীদের হাসপাতাল চত্বরের ভেতরের আবাসিক চারতলা একটি খালি ভবনে রাখার সিদ্ধান্তে গুলশানপাড়াবাসী ও হাসপাতাল কোয়ার্টারে বসবাসকারী স্টাফদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে সিভিল সার্জন অফিসের সামনে গুলশানপাড়াবাসী ও হাসপাতাল কোয়ার্টারে বসবাসকারী স্টাফেরা একত্রিত হয়ে তাঁদের দাবি তুলে ধরেন। এ সময় তাঁরা দাবি করেন, ওই ভবনে করোনা আক্রান্ত রোগী রাখলে ভাইরাস ছড়াতে পারে পার্শ্ববর্তী এলাকাতে। তাঁদের দাবি, করোনা আক্রান্ত রোগীকে অন্য কোথাও রাখতে হবে। বিষয়টি চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরীকে জানানো হলে গতকাল রাতেই তিনি হাসপাতালে আসেন এবং গুলশানপাড়াবাসীদের নিয়ে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. শামীম কবিরের কক্ষে আলোচনায় বসেন। আলোচনা সভায় ওই ভবনে করোনা রোগী রাখলেও করোনা ভাইরাস ছড়াবে না এ কথার নিশ্চয়তার পর এলাকাবাসী পৌর মেয়রের সঙ্গে ভবনটি পরিদর্শন করেন। এ ছাড়া ভবনের পেছনের সব কটি জানালা ঝালাই করে বন্ধ ও রোগীদের কক্ষের বাইরে বের না করার বিষয়ে নিশ্চয়তা দিলে এলাকাবাসী হাসপাতাল চত্বরের ভেতর আবাসিক চারতলা খালি ভবনে করোনা রোগী রাখার সিদ্ধান্তে সম্মতি জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা থানার ওসি (তদন্ত) লুৎফুল কবির, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার উপপরিদর্শক মুহিতুর রহমান মুহিতসহ আরও অনেকে।
