ছবির ক্যাপশন:
আইসোলেশন ইউনিটে থাকা ইতালি ফেরত সাব্বিরের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় আইইডিসিআর-এর প্রতিনিধি দল আজ আসছে
বিদেশ থেকে কেউ এলে তথ্য দিন, কারণ সে করোনায় আক্রান্ত কি না, সেটি জানা প্রয়োজন: ডিসি নজরুল ইসলাম
* হোম কোয়ারেন্টাইনে
> চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ৪২ জন
> জীবননগর উপজেলার ৩৩ জন
> আলমডাঙ্গা উপজেলার ১৩ জন
> দামুড়হুদা উপজেলার ১৬ জন
মেহেরাব্বিন সানভী:
কোভিড-১৯ করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত জেলা পর্যায়ের কমিটির করণীয় সম্পর্কিত সভা চুয়াডাঙ্গায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে চারটায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় করোনাভাইরাস সম্পর্কে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, করোনা আক্রান্ত সন্দেহে চুয়াডাঙ্গায় বিদেশ ফেরত ১০৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে এবং চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ১ জনকে রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে ভারত, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, ইতালি, কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশে ফিরেছে। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা প্রবাসীদের মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ৪২ জন, জীবননগর উপজেলার ৩৩ জন, আলমডাঙ্গা উপজেলার ১৩ জন ও দামুড়হুদা উপজেলার ১৬ জন। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন একজন।
[caption id=`attachment_115031` align=`alignleft` width=`300`]
?[/caption]
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক বলেন, হোম কোয়ারেন্টাইন মানা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে। যারা বিদেশ ফেরত, তাঁদেরকে সহজভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিদেশ ফেরত সবাইকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন মেনে চলতেই হবে। না হলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘বিদেশ থেকে কেউ এলে তথ্য দিন। কারণ সে করোনায় আক্রান্ত কি না, সেটি জানা প্রয়োজন। যদি তার করোনা হয়ে থাকে, তাহলে এটি ছড়িয়ে যেতে পারে। আসলে ব্যাপারটি হচ্ছে সচেতনতার। যে বিদেশ থেকে আসছে, অনেক সময় সে নিজেও জানে না সে করোনায় আক্রান্ত কি না। এটি ১৪ দিন পর বোঝা যায়। সুতরাং তাকে তার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন তথা সবার কথা চিন্তা করা উচিত। আমরা এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছি। কোনোভাবেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।’
নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘কোনো প্রকার কোচিং, প্রাইভেট ও জনসমাবেশ করা যাবে না। কেবিনেট থেকে নির্দেশনা আছে, কোনোভাবেই যেন লোক সমাগমপূর্ণ কিছু না হয়। এটাকে সাধারণভাবে নিয়ে নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের সচেতন হতে হবে। ভয় না পেয়ে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে যাতে এটি ছড়ায়, সেই কাজগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে। হ্যান্ডশেক এড়িয়ে যাওয়ায় ভালো। সালাম বিনিময় করতে পারেন। ঘন ঘন হাত ধুতে হবে। অপরিষ্কার হাত মুখে দেওয়া যাবে না। আপনি-আমি সচেতন থাকলে এই ভাইরাসটি মোকাবিলা করা সম্ভব।’
সভায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবু তারেক, চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র ওবাইদুর রহমান চৌধুরী জিপু, সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামীম কবিরসহ কমিটির অন্য সদস্যরা। পরে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে হাত ধোয়ার স্থানের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার।
এদিকে, চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান জানান, বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের তাঁদের বাড়িতেই থাকতে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এখনো কারো শরীরে করোনার অস্তিত্ব মেলেনি। তারপরও অন্তত ১৪ দিন তাঁদের বাড়ির বাইরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে কোয়ারেন্টাইনরত রোগীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তিনি আরও জানান, হাসপাতালের করোনাভাইরাস আইসোলেশন ইউনিটে রাখা হয়েছে সাব্বির আহমেদ নামের এক যুবককে। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে যশোর থেকে আইইডিসিআর-এর একজন প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গায় এসে তাঁর সোয়াব সংগ্রহ করে ঢাকা রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে পাঠিয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (তথা আজ) ঢাকা থেকে আইইডিসিআর রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের একটি টিম চুয়াডাঙ্গা আসছে। তারা চুয়াডাঙ্গা এলে নিশ্চিত হওয়া যাবে সাব্বির আহমেদ করোনা আক্রান্ত হয়েছে কি না।
?[/caption]
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক বলেন, হোম কোয়ারেন্টাইন মানা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে। যারা বিদেশ ফেরত, তাঁদেরকে সহজভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিদেশ ফেরত সবাইকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন মেনে চলতেই হবে। না হলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘বিদেশ থেকে কেউ এলে তথ্য দিন। কারণ সে করোনায় আক্রান্ত কি না, সেটি জানা প্রয়োজন। যদি তার করোনা হয়ে থাকে, তাহলে এটি ছড়িয়ে যেতে পারে। আসলে ব্যাপারটি হচ্ছে সচেতনতার। যে বিদেশ থেকে আসছে, অনেক সময় সে নিজেও জানে না সে করোনায় আক্রান্ত কি না। এটি ১৪ দিন পর বোঝা যায়। সুতরাং তাকে তার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন তথা সবার কথা চিন্তা করা উচিত। আমরা এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছি। কোনোভাবেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।’
নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘কোনো প্রকার কোচিং, প্রাইভেট ও জনসমাবেশ করা যাবে না। কেবিনেট থেকে নির্দেশনা আছে, কোনোভাবেই যেন লোক সমাগমপূর্ণ কিছু না হয়। এটাকে সাধারণভাবে নিয়ে নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের সচেতন হতে হবে। ভয় না পেয়ে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে যাতে এটি ছড়ায়, সেই কাজগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে। হ্যান্ডশেক এড়িয়ে যাওয়ায় ভালো। সালাম বিনিময় করতে পারেন। ঘন ঘন হাত ধুতে হবে। অপরিষ্কার হাত মুখে দেওয়া যাবে না। আপনি-আমি সচেতন থাকলে এই ভাইরাসটি মোকাবিলা করা সম্ভব।’
সভায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবু তারেক, চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র ওবাইদুর রহমান চৌধুরী জিপু, সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামীম কবিরসহ কমিটির অন্য সদস্যরা। পরে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে হাত ধোয়ার স্থানের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার।
এদিকে, চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান জানান, বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের তাঁদের বাড়িতেই থাকতে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এখনো কারো শরীরে করোনার অস্তিত্ব মেলেনি। তারপরও অন্তত ১৪ দিন তাঁদের বাড়ির বাইরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে কোয়ারেন্টাইনরত রোগীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তিনি আরও জানান, হাসপাতালের করোনাভাইরাস আইসোলেশন ইউনিটে রাখা হয়েছে সাব্বির আহমেদ নামের এক যুবককে। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে যশোর থেকে আইইডিসিআর-এর একজন প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গায় এসে তাঁর সোয়াব সংগ্রহ করে ঢাকা রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে পাঠিয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (তথা আজ) ঢাকা থেকে আইইডিসিআর রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের একটি টিম চুয়াডাঙ্গা আসছে। তারা চুয়াডাঙ্গা এলে নিশ্চিত হওয়া যাবে সাব্বির আহমেদ করোনা আক্রান্ত হয়েছে কি না।
